• বিদেশ ডেস্ক
  • ১৪ আগস্ট ২০২০ ১৪:৪১:৩৪
  • ১৪ আগস্ট ২০২০ ১৪:৪১:৩৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ইসরায়েল-আমিরাত চুক্তি, ‘ফিলিস্তিনের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা’

হামাসের মুখপাত্র ফাউজি বারহুম। ছবি : পার্সটুডে থেকে নেয়া

সংযুক্ত আরব আমিরাত ফিলিস্তিনি জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলে মন্তব্য করেছে দেশটির বিভিন্ন সংগঠন। তারা ইসরায়েলের সঙ্গে আরব আমিরাতের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে দেয়া ঘোষণার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে এই মন্তব্য করে।

এর আগে ১৩ আগস্ট, বৃহস্পতিবার ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত নিজেদের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে ঘোষণা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু এবং আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ আল নাহিয়ান একটি যৌথ বিবৃতিও দিয়েছে। যার প্রতিবাদ জানালো ফিলিস্তিন। এমন খবর প্রকাশ করেছে পার্সটুডে।

এ বিষয়ে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেন, এই সমঝোতা ফিলিস্তিনি জাতির স্বার্থ রক্ষা করবে না। সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েলের দখলদারিত্ব ও ফিলিস্তিনবিরোধী অপরাধযজ্ঞের ‘প্রতিদান’ হিসেবে তেল আবিবের সঙ্গে এই সমঝোতায় পৌঁছেছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

হামাসের আরেক মুখপাত্র ফাউজি বারহুম বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ফিলিস্তিনি জাতির পিঠে ছুরি বসিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষা করবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলন জানায়, এই সমঝোতার মাধ্যমে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভাকে পতনের হাত থেকে রক্ষা করা হয়েছে।

জিহাদ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা দাউদ শিহাব বলেন, আরব আমিরাত এ সিদ্ধান্ত নিয়ে ইসরায়েলের মোকাবিলায় নতজানু নীতি গ্রহণ করেছে। এতে করে ইসরায়েলে ফিলিস্তিন বিদ্বেষী তৎপরতা আরো জোরদার হবে।

প্রসঙ্গত, সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তিও স্বাক্ষর হবে। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল স্বাধীনতা ঘোষণার পর ইসরায়েল-আরব দেশগুলোর মধ্যে এটি তৃতীয় শান্তি চুক্তি। এর আগে ১৯৭৯ সালে মিশর এবং ১৯৯৪ সালে জর্ডান ইসরায়েলের সঙ্গে এই চুক্তি করেছিল।

আগামী সপ্তাহে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরা দ্বিপক্ষীয় এই চুক্তি করার জন্য মিলিত হবেন। বিনিয়োগ, পর্যটন, সরাসরি বিমান চলাচল, নিরাপত্তা, টেলিযোগাযোগ, প্রযুক্তি, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি, পরিবেশ এবং উভয় দেশ দূতাবাস স্থাপন নিয়ে এই চুক্তিটি হবে।

এই দেশ দুটি যুক্তরাষ্ট্রের চালু করা ‘মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত এজেন্ডা’তেও যুক্ত হবে বলেও ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1620 seconds.