• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২০:০৭:৩৩
  • ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২০:০৭:৩৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

আমরা এক নম্বর অবস্থান ধরে রাখতে চাই: ইভ্যালি সিইও

ছবি : সংগৃহীত

একটি ই-কমার্সের লক্ষ্য হলো প্রচুর ক্রেতা। এটা এমনি এমনি হয় না। এজন্য অ্যাকশান প্ল্যান থাকতে হয়। আমরা তা হাতে নিয়ে আমরা প্রচুর ক্রেতা ও বিক্রেতার সমাবেশ ঘটিয়ে এক নম্বর অবস্থানে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছি। আমরা এই অবস্থান ধরে রাখতে চাই। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল অনলাইনে সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপে অভিযোগ পোস্ট হয়। সেটা সংখ্যায় অনেক মনে হয়। এরকম সিঙ্গেল ঘটনা এক এক করে জমতে জমতে বেশি হয়ে যায়। তবে পণ্য ডেলিভারিতে দেরির জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমরা এটা কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি। বিশ্বের বড় বড় ই-কমার্সেও অভিযোগ সেল আছে।

মোহাম্মদ রাসেল বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইভ্যালি ২১ লাখ পণ্য বিক্রি করেছে যার আর্থিক মূল্যমান ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ৫ জন কর্মী নিয়ে ইভ্যালির যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীর সংখ্যা ৭ শতাধিক। তার দাবি ইভ্যালির ৩৭ লাখ গ্রাহক নিয়ে বর্তমানে দেশের ই-কমার্স খাতে এক নম্বর অবস্থানে রয়েছে। তিনি আরও জানান, ইভ্যালি বর্তমানে ৪ হাজার কোটি টাকার কোম্পানি। শিগগিরই বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠান থেকে বিশাল বিনিয়োগ ইভ্যালিতে যুক্ত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সম্প্রতি ইভ্যালির বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ প্রসঙ্গে মোহাম্মদ রাসেল বলেন, আমরা সব ধরনের পর্যবেক্ষণকে স্বাগত জানাই। আমাদের আশা কোনও ধরনের অভিযোগ প্রমাণ হবে না। ফলে আমরা দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে ফিরে আসবো। আমরা আশা করছি ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার আগেই ইভ্যালির সব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া হবে। ফলে আমরা সেই অবধি অপেক্ষা করবো। মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, কেউ হয়তো কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে থাকতে পারে। আমরা বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছি। ব্যাংক হিসাব বন্ধ করার ৫ দিনের মধ্যে সব কাগজপত্র আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়েছি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে জবাবে ইভ্যালি প্রধান বলেন, আমরা মনে করি না কারও প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি। আমাদের ক্যাশব্যাক অফার, প্রবৃদ্ধি, শীর্ষ অবস্থান নিয়ে কারও মনে হয়তো কোনও প্রশ্ন ছিল। সেখান থেকেই এ ঘটনার উৎপত্তি হয়ে থাকতে পারে। আমরা স্বচ্ছতায় বিশ্বাসী। আশা করি এই বিষয়টির একটা চমৎকার সুরাহা হবে।

মোটরবাইক ডেলিভারিতে দেরির বিষয়ে মোহাম্মদ রাসেল বলেন,গত ১২ মাসে বাইক ডেলিভারিতে আমাদের গড় সময় লেগেছে ২৫ দিন। দেশে করোনা প্রাদুর্ভাবের পরে বিশেষ করে এপ্রিল মাসের পর থেকে সরবরাহ ঘাটতির কারণে মোটর বাইক ডেলিভারিতে বেশি সময় লাগছে। এছাড়া অনেক সময় মোটর বাইক উৎপাদকরা আমাদের সময় মতো পণ্য ডেলিভারি দিতে পারে না। হয়তো আমরা বিশাল সংখ্যার পণ্যের অর্ডার একসঙ্গে দিয়ে থাকি, এটাও একটা কারণ হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ইভ্যালি

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0784 seconds.