• বিদেশ ডেস্ক
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৯:৫৪:২৫
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৯:৫৪:২৫
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

রোহিঙ্গা গণহত্যা, বিচার কাজ হেগ থেকে বাংলাদেশে আনার আবেদন

ছবি : সংগৃহীত

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের হত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) শুনানি হবে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে। তবে এই শুনানি হেগের পরিবর্তে অন্য কোনো দেশে এই আদালত বসানোর আবেদন করা হযেছে, বিশেষ করে বাংলাদেশ।

সাধারণত আইসিসি’র সব কার্যক্রম দ্য হেগ শহরেই হয়ে থাকে। কিন্তু এই প্রথম এমন উদ্যোগ নেয়া হলো যেখানে নির্যাতিতদের শুনানির জন্য আদালতকেই অন্য দেশে বসানোর আবেদন জানানো হয়েছে। এমন খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মাসে তিনটি ‘ভিকটিম সাপোর্ট গ্রুপে’র আইনজীবীরা এই আবেদন করে। এই গ্রুপগুলো রোহিঙ্গাদের পক্ষে কাজ করে থাকে। এমন তারা এমন একটি দেশে এই শুনানির অনুরোধ জানিয়েছেন, যেটি নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গাদের কাছাকাছি কোনো দেশে হবে।

ওই আবেদনে কোনো দেশের কথা উল্লেখ না থাকলেও, আইসিসি আবেদনের অগ্রগতির যে বিবরণী প্রকাশ করেছে, তাতে এই দেশটি ‘সম্ভবত বাংলাদেশ‌‌‌’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্যাতনের শিকার হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশেই আছেন। তাই বাংলাদেশে শুনানি হলে তাদের সাক্ষ্য-প্রমাণ দেয়া সহজ হবে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এই দুটি ঘটনাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবীরা। আবেদনকারি আইনজীবীরাও একই যুক্তি দিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবী শ্যানন রাজ সিং তার একটি ব্লগে লিখেছেন, ‘পাখির মত উড়ে গেলে, বৃষ্টিস্নাত দ্য হেগ থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব প্রায় আট হাজার কিলোমিটার। সেখানকার শরণার্থী শিবিরে নির্যাতনের শিকার যে রোহিঙ্গারা থাকেন, তাদের জন্য এই দূরত্ব একেবারেই অনতিক্রম্য।’

তিনি আরো লিখেছেন, আইসিসির রুল অনুযায়ী, স্বাগতিক দেশের (নেদারল্যান্ডস) বাইরে অন্য কোনো দেশেও এই আদালতের কার্যক্রম চালানোর সুযোগ আছে। রোম স্ট্যাটিউটের একটি ধারা উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক আদালত প্রয়োজন অনুযায়ী কোন মামলার পুরো বা আংশিক শুনানির জন্য অন্য কোন স্থানেও বসতে পারে।

এদিকে ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য কোনো দেশে আদালতের কার্যক্রম সরিয়ে নেয়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করার জন্য আইসিসি’র রেজিস্ট্রি বিভাগকে আদেশ দেয়া হয়েছে। আগামী ২১ সেপ্টেম্বরের আগেই এই সম্ভাব্যতা যাচাই করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0919 seconds.