• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৩:৪২:০৮
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৩:৪২:০৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ঢাকা মহানগর আ.লীগের দুই কমিটিতে পদ পাবেন না কাউন্সিলররা

ফাইল ছবি

প্রায় এক বছর হতে চললো আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগরের ‍দুই কমিটির সম্মেলন হয়েছে। এখনো ঘোষণা করা হয়নি পূর্ণাঙ্গ কমিটি। তবে সেই কাজ অনেকটাই এগিয়ে চলছে। এবারের কমিটিতে সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হচ্ছে না বলে জানা গেছে।

দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনাতেই মহানগর কমিটিতে পদ পাচ্ছেন না কাউন্সিলররা। তবে তাদের তাদের ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ের কমিটিতে রাখা হবে।

আওয়ামী লীগের মহানগর নেতারা জানিয়েছেন, ওয়ার্ডগুলোর নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতেই এমন  সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে এর পেছনে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও রয়েছে। তবে এমন সিদ্ধান্তে নাখোশ ওয়ার্ড কাউন্সিলররা। তারা বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন। নানা আলোচনা শেষে উত্তরের সভাপতির পদ পান শেখ বজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন মান্নান কচি। আর দক্ষিণের সভাপতি হিসেবে আবু আহাম্মদ মন্নাফি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হুমায়ূন কবিরের নাম ঘোষণা করা হয়।

সম্মেলনের পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের দায়িত্বও দেয়া হয় নতুন নেতাদের হাতে। তারা তখন থেকেই কাজ শুরু করেন। মহানগর কমিটিতে ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের না রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী তাদের নির্দেশনাও দিয়ে দেন। একই সাথে যারা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন তাদেরও কমিটিতে না রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়।

এসব বিষয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘কাউন্সিলরদের ব্যাপারে দাবি ছিল তারা যেন এলাকায় কাজ করতে পারেন, তাদের ভাইটাল পদ না দিয়ে সম্মানজনক পদ দেয়া। তারা থানা এবং ওয়ার্ডের মধ্যেই থাকবেন।’

তার ভাষ্য, ‘কারো যদি মহানগরে আসার যোগ্যতা থাকে আর নেত্রী যদি মনে করেন তাকে পদ দিলে ভাল হবে তাহলে একমাত্র নেত্রীর এখতিয়ার আছে তাকে সেখানে দেয়ার।’

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে জড়িত থাকায় মহানগর কমিটিতে পদ প্রত্যাশা করছেন কাউন্সিলররা। যোগ্যদের মহানগর কমিটিতে না রাখাকে অযৌক্তিক দাবি করেন তারা। যদিও ক্ষমতার ভারসাম্য রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, আগামীকাল ১৪ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার দলীয় সভাপতির কার্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেয়ার শেষ সময়। সেদিনই পুরো বিষয়টির সুরাহা হবে।

বাংলা/এসএ/

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1903 seconds.