• বিদেশ ডেস্ক
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৫:৪০:০২
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৫:৪০:০২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

এসিডিটির মূল কারণ ও প্রতিকার

প্রতীকী ছবি

এসিডিটির সমস্যা নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। ঘনঘন কফি খাওয়া, রান্নায় পেয়াজ-রসুন অতিরিক্ত ব্যবহার এবং কোল্ড ড্রিংক খাওয়ার অভ্যেসের কারণেই বেড়েছে এসিডিটি। তবে এগুলোই শুধু একমাত্র কারণ নয়। আরো বহু কারণেই এসিডিটি হতে পারে।

পাকস্থলীতে অতিরিক্ত বা ভারসাম্যহীন এসিড উৎপন্ন হয়। এর ফলেই এসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সৃষ্টি হয়। এসিডিটি নিয়ে এমন খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম নিউজ এইট্টিন।

এসিডিটির কারণে পেটের উপরের অংশে ব্যথা বা জ্বালা পোড়া অনুভূত, বুক জ্বালাপোড়া, গ্যাস, বমিভাব, টক ঢেঁকুর, মুখে দুর্গন্ধ, পেট ফাঁপা, ক্ষুধামন্দা, অল্প খেলেই ভরপেট অনুভব, ওজন হ্রাস,পিঠে ও বুকে ব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ প্রকাশ পায়।

এসিডিটির মূল কারণ ও প্রতিকার :

১. অনেকেই একসঙ্গে অনেক খাবার খান। স্বাস্থ্যবিদরা এই অভ্যেসকেই অ্যাসিডিটির মূল কারণ মনে করেন। তারা বলেন, এসিডিটি কমাতে গেলে, খেতে হবে ভাগে ভাগে, একটি মিলকেই তিন ভাগে ভেঙে নিন। ভালো করে চিবিয়ে খাবার খান।

২. ওবেসিটির সঙ্গে এসিড রিফ্লাক্সের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যে মানুষের অতিকায়ত্বের প্রবণতা বেশি, সেই মানুষের মধ্যে এসিডিটি ও হৃদরোগের প্রবণতাও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। স্বাস্থ্যবিদরা বলেন, এসিডিটিকে দূরে রাখতে প্রতিদিন শরীরচর্চার জন্য নূন্যতম আধ ঘণ্টা রাখতে হবে।

৩. ধূমপানের ফলে শুধু ফুসফুসেরই ক্ষতি হয় না। এর নিকোটিন শরীরে এসিড রিফ্লাক্স বাড়িয়ে দেয়। ফলে এসিডিটি মুক্ত জীবন চাইলে ধূমপান ছাড়তেই হবে।

৪. বেশ কিছু খাবার সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। এর মধ্যে চা-কফি, তেলমশলা যুক্ত খাবার, কোল্ড ড্রিঙ্ক, অ্যালকোহলও রয়েছে। এগুলো সঙ্গে সরাসরি অ্যালকোহলের সম্পর্ক আছে। তাই এই জিনিসগুলো যতটা সম্ভব বর্জন করাই উচিত।

৫. বেশ কিছু ওষুধের সঙ্গে এসিড রিফ্লাক্সের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। এর মধ্যে এন্টি এলার্জিক ওষুধ, অ্যাস্থমার ওষুধ, সেডাটিভ, অ্যান্টিডিপ্রেশান্ট, পেন কিলার অন্যতম। এই ধরনের ওষুধ খেতে হলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1660 seconds.