• বিদেশ ডেস্ক
  • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৫:৫৪:৩১
  • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৫:৫৪:৩১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

এশিয়ার যে মশা আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে আফ্রিকায়

ছবি : সংগৃহীত

ডেঙ্গু মশা ও তার ভয়াবহাতার কথা আমরা সবাই জানানি। এবার এশিয়ারই এক মশা আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে আফ্রিকা মহাদেশে। এই মশাটির নাম অ্যানোফিলিস গাম্বিয়া। এই মশার কারণে আফ্রিকার মানুষ এখন প্রাণঘাতী ম্যালেরিয়া রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

আফ্রিকায় ২০১৮ সালে চার লাখ মানুষকে মৃত্যুমুখে ঠেলে দেয় এই মশা। ১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার প্রকাশিত এক সমীক্ষায় এমন তথ্য উঠে আসে। এমন খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম নিউজ এইট্টিন।

ওই সমীক্ষায় বলা হয়, এশিয়াতে বংশবৃদ্ধি করা এই মশার প্রজাতি কয়েক হাজার বছর ধরে, আফ্রিকা মহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন তা সেখানে বসবাসরত নাগরিকদের ম্যালেরিয়া রোগে আক্রান্ত করছে। আর ২০১৮ সালে আফ্রিকাতে ম্যালেরিয়া চার লাখ মানুষকে মৃত্যুমুখে ঠেলে দিয়েছিল। যাদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু। অ্যানোফিলিস গাম্বিয়া নামেই এই মশার প্রজাতিই আফ্রিকায় ম্যালেরিয়া ছড়িয়ে দেয়ার জন্য বিশেষভাবে দায়ি।

তবে বিশেষ প্রজাতি এই মশা শহরে জমে থাকা নোংরা পানি অপছন্দ করে এবং শহরাঞ্চলের জমে থাকা পরিষ্কার পানিতেও ডিম পারে না। এই কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আফ্রিকার গ্রামগুলো ম্যালেরিয়ার দুর্গ হয়ে উঠেছে।

ওই গবেষণায় আরো বলা হয়, অ্যানোফিলিস গাম্বিয়ার মূল বাসস্থান এশিয়ায়। এই মশা ইট-সিমেন্ট দিয়ে বানানো পানির ট্যাঙ্কের ফাটল দিয়ে ভেতরে ঢুকেও ডিম পারতে সক্ষম। এই মশার প্রজাতির কারণেই, আফ্রিকার জিবাউটি শহরে যেখানে ম্যালেরিয়া প্রায় ছিলো না বললেই চলে, সেখানে ২০১২ সালে এই রোগ মহামারীর আকার ধারণ করে। এরপর ইথিওপিয়া ও সুদানেও তা ছড়িয়ে যায়।

আরো জানা গেছে, এই মশার প্রজাতি শহরের ঘনসন্নিবিষ্ট জায়গা যেখানে গরম বেশি এবং যথেষ্ট বৃষ্টি হয় সেখানে ভালো বংশবিস্তার করতে পারে। বর্তমানে আফ্রিকার ৪৪টি শহর এই মশাদের প্রিয় বাসস্থান। আফ্রিকার মশারা রাতে চারিদিক ঠান্ডা হয়ে আসার পর মানুষকে কামড়ায়। কিন্তু অ্যানোফিলিস গাম্বিয়া মশা সন্ধ্যাবেলায় যখন গরম থাকে সেইসময় কামড় দেয়। এই মশার থেকে রক্ষা পাওয়ার সঠিক উপায়, শরীর ঢেকে রাখা, ঘরের দেয়াল তরল কীটনাশক দিয়ে ভিজিয়ে রাখা।

গবেষকদের মতে, এই মশার প্রকোপ দূর করতে লার্ভা নষ্ট করা প্রয়োজন। এজন্য জমানো পানি ফেলে দেয়া দরকার। আর পানির ট্যাঙ্কও মজবুত করে বানানো প্রয়োজন যাতে কোনো ফাটল না ধরে এবং মশারা বংশবিস্তার না করতে পারে।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.2213 seconds.