• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০৯:৪০:৪১
  • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০৯:৪০:৪১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

মহালয়ায় মাহবুবুল এ খালিদের গান

ছবি : সংগৃহীত

আজ (১৭ সেপ্টেম্বর) শুভ মহালয়া। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের পুণ্যলগ্ন হলো মহালয়া। পিতৃপক্ষের শেষ দিন এটি। এরপর সূচনা হয় দেবীপক্ষের। শ্রীশ্রী চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার আবাহনই মহালয়া হিসেবে পরিচিত।

মহালয়ার উদ্দেশ‌্য ও তাৎপর্য নিয়ে হৃদয়ছোঁয়া একটি গান লিখেছেন কবি, গীতিকার ও সুরকার মাহবুবুল এ খালিদ। ‘মহালয়া’ শিরোনামের গানটির সুরও দিয়েছেন তিনি। আর মিষ্টি কণ্ঠে ধারণ করেছেন নন্দিতা।

গানটি মাহবুবুল এ খালিদের সংগীত বিষয়ক ওয়েবসাইট ’খালিদসংগীত ডটকম’ (www.khalidsangeet.com)-এ প্রকাশিত হয়েছে।

পুরাণমতে, মহালয়ার দিন দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে। এ দিন থেকেই দুর্গাপূজার দিন গণনা শুরু হয়। এবার দূর্গাপুজা শুরু হবে ২১ অক্টোবর বুধবার থেকে। এ বছর দেবী দুর্গার আগমন হবে দোলায়। আর গজ অর্থাৎ হাতিতে চড়ে তিনি পাড়ি দেবেন স্বর্গে।

মহিষাসুরমর্দিনী দেবী দূর্গা সমস্ত অশুভ শক্তি বিনাশের প্রতীক রূপে পূজিত। মহামায়া অসীম শক্তির উৎস। পুরাণ মতে, মহালয়ার দিনে দেবী দুর্গা মহিষাসুর বধের দায়িত্ব পান।

পাশাপাশি মহালয়া তিথিতে যারা পিতৃ-মাতৃহীন তারা তাদের পূর্বপূরুষের স্মরণ করে তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে অঞ্জলি প্রদান করেন। সনাতন ধর্ম অনুসারে এই দিনে প্রয়াত আত্মাদের মর্ত্যে পাঠিয়ে দেয়া হয়। প্রয়াত আত্মার যে সমাবেশ হয় তাকে মহালয়া বলা হয়। মহালয় থেকে মহালয়া।

সনাতন ধর্মে কোনও শুভ কাজ করতে গেলে, পূর্বপুরুষদের সঙ্গে সমগ্র জীব-জগতের জন্য তর্পণ করতে হয়। তর্পণ মানে খুশি করা। মহালয়ার দিন পূর্বপুরুষ, ঋষি, গুরুদেব, পিতামাতার উদ্দেশে জল ও খাবার দান করার রীতিকেই তর্পণ বলা হয়। তর্পণের বিভিন্ন ধরন, ও প্রক্রিয়া রয়েছে। কথিত রয়েছে, তর্পণে পিতৃপুরুষ সন্তুষ্ট হলে ধন, মান, শান্তি ও সম্পত্তি লাভ হয়।

‘মহালয়া’ গানটি প্রসঙ্গে গীতিকার মাহবুবুল এ খালিদ বলেন, মহিষাসুর বধের মতো যখন আমরা নিজের মনে লুকিয়ে থাকা অসুর বধ করবো এবং হিংসা, ক্রোধ ও ভেদাভেদ ভুলে ভ্রাতৃত্ববোধ ও মৈত্রীভাবে নিজেদের আবদ্ধ করবো, তখন মহালয়া স্বার্থক হবে। আর এটাই মহালয়ার শিক্ষা। এ গানটির মাধ‌্যমে মহালয়ার উদ্দেশ‌্য তাৎপর্য তুলে ধরা হয়েছে। আশা করি সবার কাছে ভালো লাগবে।

উল্লেখ্য, কবি, গীতিকার ও সুরকার মাহবুবুল এ খালিদের লেখা কবিতা ও গানে পাওয়া যায় নানান ধর্মের ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের কথা। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে তিনি সবার জন্য গান রচনা করেন। তার কাছে সংগীত কোনো জাতি বা ধর্মের নয়, সংগীত সবার জন্য। মানবপ্রেমের মহৎ বাণীতে সমৃদ্ধ তার গান-কবিতা। 

এছাড়াও, হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা এবং শ্রীকৃষ্ণকে নিয়েও গান লিখেছেন তিনি। মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব রমজান, ঈদুল ফিতর, কোরবানি, শবে কদর, শবে মেরাজ, শবে বরাত এবং ঈদে মিলাদুন্নবী নিয়ে তার লেখা গান রয়েছে। খ্রিষ্টানদের বড়দিন, বৌদ্ধদের বুদ্ধ পূর্ণিমা ইত‌্যাদি ধমর্ীয় উৎসব নিয়েও গান লিখেছেন তিনি। মাহবুবুল এ খালিদ রচিত এসব গানে সংশ্লিষ্ট দিবস ও উৎসবের উপলক্ষ্য ও তাৎপর্য দারুণভাবে ফুটে উঠে।

‘মহালয়া’ গানটির ওয়েব লিংক: http://www.khalidsangeet.com/music/mohaloya

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

মাহবুবুল এ খালিদ মহালয়া

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.1404 seconds.