evaly
  • বিদেশ ডেস্ক
  • ০৮ অক্টোবর ২০২০ ১৮:৫৮:৫৩
  • ০৮ অক্টোবর ২০২০ ১৮:৫৮:৫৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ঘন ঘন হাঁচি-কাশি কমায় করোনার ঝুঁকি : গবেষণা

ছবি : প্রতিকী

অনেকেই আছেন যাদের সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। এমনকি মৌসুম বদলের সময় নাক টানা ও হাঁচি-কাশি হয়। তবে এসব মানুষের করোনায় (কোভিড-১৯) সংক্রমণের সম্ভবনা তুলনামূলক কম। কারণ তাদের শরীরে এর মধ্যেই করোনার অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। যা এই ভাইরাসকে প্রতিরোধ করে শরীরকে সুস্থ রাখে।

সম্প্রতি জার্নাল অফ ক্লিনিকাল ইনভেস্টিগেশন’র এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন বিশ্ববিদ্যালয় এই গবেষণা পরিচালনা করে। এমন খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম নিউজ এইট্টিন।

ওই গবেষণায় বলা হয়, অনেকেরই আগে করোনা সংক্রমণ হয়েছে। যাকে ‘কমন কোল্ড করোনাভাইরাস’ বলা হয়। অনেকেরই সর্দি-কাশি, হাঁচি হয়ে থাকে। ঘন ঘন ঠাণ্ডাও লাগে। এতদিন ভাবা হতো তাদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বা ইমিউনিটি খুব দুর্বল। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গিয়েছে বিভিন্ন প্রকার করোনার মধ্যে কোভিড-১৯’ও একটি ভাইরাস।

এছাড়াও এর আগে অনেকেই নন সার্স কোভিড-২ সংক্রমণ হয়েছিল। সাধারণ সর্দি, কাশি, জ্বরের মতো উপসর্গও ছিলো। আবার তা সেরেও যায়। এতে করে শরীরে ওই ভাইরাসের অ্যান্টিবডি ইতোমধ্যে তৈরি হয়ে গিয়েছে।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়া করোনা রোগীদের ক্ষেত্রেও এই কথা প্রযোজ্য। আগেই ‘কমন কোল্ড’ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এমন করোনা রোগীরা মৃদু সংক্রমিত হচ্ছেন। তেমন কোনো উপসর্গও নেই। এমনকি তাদের হাসপাতালে ভর্তি করালেও ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের নিতে হচ্ছে খুব কম। এছাড়াও কৃত্রিম ভেন্টিলেশনের প্রয়োজনও তুলনামূলক ভাবে কম হচ্ছে। অর্থাৎ, এসব ব্যক্তিদের শরীরে করোনাকে (কোভিড-১৯) প্রতিরোধ করার অ্যান্টিবডি রয়েছে।

এদিকে এমবায়ো নামের এক জার্নালে এই বিষয়ে আরো গবেষণা প্রতিবেদেন প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণায় বলা হয়, করোনার কারণে হয়ে থাকে, সেই সার্স কোভিড-২ মানব শরীরের মেমোরি বি সেলকে অ্যাক্টিভ করে তোলে। এই মেমোরি বি কোষ প্যাথোজেনকে চিহ্নিত করে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। পরে আবার প্যাথোজেন শরীরে প্রবেশ করার চেষ্টা করলেই দ্রুত কাজ শুরু মেমোরি বি সেল।

আরো বলা হয়, ওই ভাইরাসকে চিহ্নিত করে সংক্রমণ শুরু হওয়ার আগেই ওই ব্যক্তিকে সুস্থ করে তোলে। মেমোরি বি সেল কয়েক দশক পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। যারা ঘন ঘন সর্দিতে ভুগতেন, তাদের শরীর সহজেই সার্স কোভিড-২ ভাইরাসকে চিহ্নিত করতে পারবে। আর ভাইরাসকে প্রতিরোধ করার জন্য অ্যান্টিবডি তৈরি করবে।

নতুন এই গবেষণা বিজ্ঞানীদের আশার আলো দেখাচ্ছে। এতে করে আগামী দিনে করোনার (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ক্ষেত্রে এই গবেষণা খুব সহযোগিতা করবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0961 seconds.