• বিদেশ ডেস্ক
  • ১০ অক্টোবর ২০২০ ১২:১৭:০৩
  • ১০ অক্টোবর ২০২০ ১৩:৩১:৫০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

রুশ মধ্যস্থতার আর্মেনিয়া-আজারবাইজান যুদ্ধবিরতি

ছবি : আলজাজিরা থেকে নেয়া

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান চলমান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে বাস্তবসম্মত আলোচনাও শুরু করবে। ১০ অক্টোবর, শনিবার রাশিয়ার পররাষ্ট্র সের্গেই ল্যাভরভ এই তথ্য জানিয়েছিন। প্রায় দুই সপ্তাহ জুড়ে চলা প্রচণ্ড সংঘর্ষে পর দেশ দুটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলো।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে ১০ ঘণ্টা আলোচনার পর শনিবার সকালে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। এমন খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

রাশিয়ার শীর্ষ একজন কূটনৈতিক জানান, শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে যুদ্ধবিরত কার্যকর হওয়ার পর থেকে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে রেড ক্রোস মধ্যস্থতা করবে।

এদিকে আলজাজিরার মস্কো প্রতিনিধি জানায়, এই চুক্তিটি ছিলো ‘মানবিক যুদ্ধবিরতি’। সত্যি তারা যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। যদি তারা বন্দী বিনিময়ের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছায়। এছাড়াও দশকের পর দশক ধরে চলা সংঙ্কট নিরসনে উভয় পক্ষই আলোচনার টেবিলে বসতেও রাজি হয়েছে।

ল্যাভরভ এর চেয়ে বেশি কিছু না বলেও তিনি জানান, অরগানাইজেশন ফর সিকিউরিটি এন্ড কো-আপরেশন ইন ইউরোপ (ওএসসিই) মিনস্ক গ্রুপ এই বিষয়ে মধ্যস্থতা করবে। তবে আর্মেনীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী যোহরাব ম্নাৎসাকানইয়ান ও আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেইহুন বৈরামভ সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো কথা বলেনি।

সরকারি তথ্য মতে ২৭ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে অনন্ত ৩০০ জন নিহত হয়েছেন। ২০১৬ সালের পর এটাই ওই অঞ্চলে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ। সেই সংঘর্ষে কয়েক ডজন লোক প্রাণহারায়।

এর আগে উভয় দেশকে শান্তি আলোচনার জন্য মস্কোতে আহ্বান করেন রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি গত ৮ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার উভয় দেশের নেতাদের সাথে ফোনালাপ করেন।

বিরোধপূর্ণ নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। নতুন সংঘর্ষের জন্য একে অপরকে দায়ী করে বক্তব্যও দেয় তারা।

নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলটিকে আজারবাইজান নিজেদের দাবি করলেও এটি নিয়ন্ত্রণ করে আর্মেনীয় বংশোদ্ভূতরা। এটি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে প্রায় চার দশক ধরে বিরোধ চলছে।

বাংলা/এসএ/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0892 seconds.