• বিদেশ ডেস্ক
  • ১০ অক্টোবর ২০২০ ২১:৫৯:৪১
  • ১০ অক্টোবর ২০২০ ২১:৫৯:৪১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

বিরতি ভেঙে আরো যুদ্ধে আর্মেনিয়া-আজারবাইজান

ছবি : সংগৃহীত

নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আবারো যুদ্ধে জড়িয়েছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। ১০ অক্টোবর, শনিবার সকালে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়ার কযেক ঘণ্টা পর ফের সংঘর্ষ বাধে দেশ দুটির। তবে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের জন্য একে অপরকে দোষ দিচ্ছে তারা।

এই পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে রাশিয়ার মধ্যাস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি গোলা নিক্ষেপের পর যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য একে অপরকে দায়ী করে। আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অভিযোগ করে, ইয়েরেভের অভ্যন্তরে বেসামরিক এলাকায় গোলাবর্ষণ করেছে আজারবাইন।

এদিকে আজারবাইজানের দাবি, আজারি ভূখণ্ডে শত্রুপক্ষ গোলা নিক্ষেপ করেছে। এছাড়াও বাকুতে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, আজারবাইজান আশা করেছিল সময় মতো আরো অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করবে।

এর আগে শনিবার সকালে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান চলমান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন রাশিয়ার পররাষ্ট্র সের্গেই ল্যাভরভ। প্রায় দুই সপ্তাহ জুড়ে চলা প্রচণ্ড সংঘর্ষে পর দেশ দুটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে ১০ ঘণ্টা আলোচনার পর শনিবার সকালে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। রাশিয়ার শীর্ষ একজন কূটনৈতিক জানান, শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে যুদ্ধবিরত কার্যকর হওয়ার পর থেকে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে রেড ক্রোস মধ্যস্থতা করবে।

এদিকে আলজাজিরার মস্কো প্রতিনিধি জানায়, এই চুক্তিটি ছিলো ‘মানবিক যুদ্ধবিরতি’। সত্যি তারা যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। যদি তারা বন্দী বিনিময়ের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছায়। এছাড়াও দশকের পর দশক ধরে চলা সংঙ্কট নিরসনে উভয় পক্ষই আলোচনার টেবিলে বসতেও রাজি হয়েছে।

ল্যাভরভ এর চেয়ে বেশি কিছু না বলেও তিনি জানিয়েছিলেন, অরগানাইজেশন ফর সিকিউরিটি এন্ড কো-আপরেশন ইন ইউরোপ (ওএসসিই) মিনস্ক গ্রুপ এই বিষয়ে মধ্যস্থতা করবে। কিন্তু এর মধ্যেই সেই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আবারো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লো দেশ দুটি।

সরকারি তথ্য মতে ২৭ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে অনন্ত ৩০০ জন নিহত হয়েছেন। ২০১৬ সালের পর এটাই ওই অঞ্চলে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ। সেই সংঘর্ষে কয়েক ডজন লোক প্রাণহারায়।

এর আগে উভয় দেশকে শান্তি আলোচনার জন্য মস্কোতে আহ্বান করেন রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি গত ৮ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার উভয় দেশের নেতাদের সাথে ফোনালাপ করেন।

বিরোধপূর্ণ নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। নতুন সংঘর্ষের জন্য একে অপরকে দায়ী করে বক্তব্যও দেয় তারা।

নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলটিকে আজারবাইজান নিজেদের দাবি করলেও এটি নিয়ন্ত্রণ করে আর্মেনীয় বংশোদ্ভূতরা। এটি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে প্রায় চার দশক ধরে বিরোধ চলছে।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0839 seconds.