• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৭ অক্টোবর ২০২০ ১১:৫৫:৪৫
  • ১৭ অক্টোবর ২০২০ ১৩:৪০:০৯
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

উপনির্বাচন

ঢাকা-৫ আসনে বিএনপির এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ

ছবি : সংগৃহীত

করোনা (কোভিড-১৯) মহামারীর মধ্যেই ঢাকা-৫ ও নওগাঁ-৬ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। ১৭ অক্টোবর, শনিবার সকাল ৯টায় থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। তবে ঢাকা-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী তাদের বের করে দেয়ার অভিযোগ করেছেন।

এই দুটি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট নেয়া হচ্ছে। দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে। তবে দুটি আসনেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

ঢাকা-৫ আসনে প্রার্থী যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী মনিরুল ইসলাম। আর রানীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনকে নওগাঁ-৬ আসনে প্রার্থী করা হয়।

এদিকে, বিএনপি ঢাকা-৫ আসনে প্রার্থী করেছে এই আসনের সাবেক সাংসদ সালাহউদ্দিন আহমেদকে। নওগাঁ-৬ আসনে দলটির প্রার্থী নওগাঁ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম।

ঢাকা-৫ আসনের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ করেছেন বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি জানান, ৫০নং ওয়ার্ডের ৯ নম্বর কেন্দ্র যাত্রাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিএনপির এজেন্টরা গেলে তাদের স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে জোর দিয়ে বের করে দেয়া হয়। এছাড়াও ৬৮নং ওয়ার্ডের হাজী আদর্শ মোয়াজ্জেম আলী হাই স্কুল, সানারপাড় রুস্তম আলী হাইস্কুল ও ফুলকলি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৬৬নং ওয়ার্ডের ভ্যামুইল আইডিয়াল স্কুল, সারুলিয়া ডগাইর দারুস সুন্নত ফাজিল ফাদ্রাসা,৭০নং ওয়ার্ডে ১৮৫নং কেন্দ্র (আমুলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়), দেল্লা ও ৬৬নং ওয়ার্ডের ১৪৮ ও ১৪৯ কেন্দ্র থেকে বিএনপির সব পোলিং এজেন্টদের পুলিশের সামনেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বের করে দিয়েছে। এদিকে ৪৮নং ওয়ার্ডের সব কেন্দ্র দখলের অভিযোগ করেন বিএনপির এই প্রার্থী।

এছাড়াও ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের ধানের শীষের সমন্বয়কারী মিতু আক্তার জানান, নৌকা সমর্থকরা কেন্দ্রে তাদের দাঁড়াতে দিচ্ছে না।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সাল থেকে দুটি আসনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হয়ে আসছেন। ঢাকা-৫ আসনে দীর্ঘদিনের সাংসদ ছিলেন হাবিবুর রহমান মোল্লা। আর ইসরাফিল আলম ছিলেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই–রানীনগর) আসনের সাংসদ। কিন্তু তাদের মৃত্যুতে আসন দুটি শূন্য হলে এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0712 seconds.