evaly
  • বিদেশ ডেস্ক
  • ১৮ নভেম্বর ২০২০ ১৫:৩১:২৭
  • ১৮ নভেম্বর ২০২০ ১৫:৩১:২৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ নির্বাচনী কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করলেন ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ক্রিস ক্রেবস। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের ফল ঘোষণার শুরু থেকেই কারচুপির করে আসছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার সেই অভিযোগের বিরোধীতা করায় দেশটির শীর্ষ একজন নির্বাচনী কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন ট্রাম্প। তিনি ট্রাম্পের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছিলেন।

মার্কিন ওই কর্মকর্তার নাম ক্রিস ক্রেবস। তিনি সাইবার সিকিউরিটি এবং ইনফ্রাসট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সি (সিসা) প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। এমন খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

এ বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে অত্যন্ত ভুল মন্তব্য করায় ক্রিস ক্রেবসকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ক্রেবস হোয়াইট হাউজের অসন্তুষ্টির কারণ হয়ে উঠেন। মূলত রিউমার কন্ট্রোল বা গুজব নিয়ন্ত্রণ নামে সিসা’র একটি ওয়েবসাইট ছিলো, যেখানে নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য খণ্ডন করা হতো। তার বেশির ভাগ প্রভাব পড়েছে প্রেসিডেন্টের ওপরেই।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, দেশটির অনেকগুলো রাজ্যে তার ভোট জো বাইডেনের নামে পাল্টে দিয়েছে। আর বরখাস্ত হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ক্রেবস টুইট বার্তায় ওই অভিযোগ খণ্ডন করেছেন।

ওই টুইটে ক্রেবস বলেন, নির্বাচন পদ্ধতিতে জালিয়াতির যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নেই। আর প্রযুক্তিগতভাবেও সেটা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে ৫৯ জন নির্বাচনী নিরাপত্তা কর্মকর্তা একমত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তর হোমল্যান্ড সিকিউরিটির কয়েক শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্রেবস একজন। গত সপ্তাহে এসব কর্মকর্তারা ঘোষণা করেন, ৩ নভেম্বরের নির্বাচনটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সুরক্ষিত নির্বাচন।

তবে বরখাস্ত হলেও এ নিয়ে কোন আক্ষেপ প্রকাশ করেননি ক্রেবস। এর আগে গত সপ্তাহেই পদত্যাগ করেছিলেন সিসার সহকারী পরিচালক ব্রায়ান ওয়ার। হোয়াইট হাউজ থেকে তাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, গত ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও পরাজয় মেনে নিতে রাজি নয় ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এ জন্য আইনি লড়াইও করেছেন। কিন্তু তাতেও ব্যর্থ হন তিনি।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0773 seconds.