evaly
  • বিদেশ ডেস্ক
  • ২০ নভেম্বর ২০২০ ১৬:১২:৩৪
  • ২০ নভেম্বর ২০২০ ১৬:১২:৩৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

প্রতি ৯ জন করোনা রোগীর মধ্যে ১ জন শিশু : ইউনিসেফ

ছবি : সংগৃহীত

করোনায় (কোভিড-১৯) আক্রান্ত প্রতি ৯ জনের মধ্যে একজন শিশু ও কিশোর-কিশোরী রয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ। আক্রান্ত শিশুদের মাঝে হালকা উপসর্গ দেখা গেলেও সংক্রমণের হার বাড়ছে। এতে করে দীর্ঘমেয়াদে শিশু ও তরুণদের পুরো একটি প্রজন্মের শিক্ষা, পুষ্টি ও সামগ্রিক কল্যাণের ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে।

‘অ্যাভারটিং এ লস্ট কোভিড জেনারেশন’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করে জাতিসংঘের এই সহযোগী সংস্থাটি। ১৯ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার বিশ্ব শিশু দিবসকে সামনে রেখে নিউইয়র্ক থেকে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা মহামারী নিয়ন্ত্রিহীনভাবে দ্বিতীয় বছরের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এমতাবস্তায় শিশুদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও ক্রমবর্ধমান পরিণতি নিয়ে সতর্ক করতে নতুন প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে ইউনিসেফ।

এ বিষয়ে নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর জানান, করোনা মহামারীকালে একটি ধারণা চলে আসছে, করোনায় শিশুদের তেমন ক্ষতি হয় না। এটা মোটেও সত্য নয়। শিশুরা অসুস্থ হয়ে এই ভাইরাসের বিস্তার ঘটাতে পারে। আর এটা মহামারীজনিত সমস্যার একটি ছোট অংশ। গুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রাপ্তিতে বিঘ্ন এবং দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধি, এক্ষেত্রে শিশুদের জন্য বড় হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। এ সংকট যত দীর্ঘ হবে, শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সামগ্রিক কল্যাণের ওপর এর প্রভাব তত গভীর হবে। পুরো একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৮৭টি দেশের বয়সভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী- করোনা আক্রান্ত প্রতি ৯ জনের মধ্যে ১ জন ২০ বছরের কম বয়সী শিশু ও কিশোর-কিশোরী। যা এই দেশগুলোতে মোট আক্রান্ত ২ কোটি ৫৭ লাখ মানুষের ১১ শতাংশ।

আরো বলা হয়, যেহেতু শিশুরা একে অন্যের মাঝে ভাইরাস ছড়িয়ে দিতে পারে এবং বেশি বয়সী মানুষের মাঝেও এক্ষেত্রে জোরালো প্রমাণ রয়েছে। প্রাথমিক সুরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর থাকলে স্কুল বন্ধ রাখলে যে ক্ষতি হয়, তার চেয়ে বরং বেশি সুবিধা পাওয়া যায় স্কুল খোলা রাখলে। কমিউনিটিতে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে স্কুলগুলোই একমাত্র চালিকা শক্তি নয় এবং শিশুরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্কুলের বাইরে থেকেই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।

এর থেকে উত্তরণের জন্য সরকার ও অংশীদারকের প্রতি আহ্বান ও জানায় ইউনিসেফ-

১. ডিজিটাল বিভাজন বন্ধ করাসহ সব শিশুর জন্য শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করার।

২. পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবাসমূহ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দিতে এবং প্রতিটি শিশুর জন্য টিকা সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করতে।

৩. শিশু ও তরুণ জনগোষ্ঠীকে মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা এবং সুরক্ষা দিতে এবং শৈশবকালে নির্যাতন, লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা ও অবহেলার অবসান ঘটানোর।

৪. নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতা সেবা প্রাপ্তির সুযোগ বাড়ানোর এবং পরিবেশগত বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করার।

৫. শিশু দারিদ্র্যের উত্থানকে উল্টে দিতে এবং সবার জন্য অংশগ্রহণমূলক ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করার।

৬. সংঘাত, দুর্যোগ ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যে বসবাস করা শিশু ও তাদের পরিবারকে সুরক্ষা ও সহায়তা করার জন্য প্রচেষ্টা দ্বিগুণ করার।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0916 seconds.