evaly
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২০ নভেম্বর ২০২০ ১৮:১২:২৮
  • ২০ নভেম্বর ২০২০ ১৮:১৩:৪৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

মৃত নারীদের ধর্ষণ, যেভাবে ধরা পড়লেন মুন্না

মুন্না ভগত। ছবি : সংগৃহীত

মর্গে মৃত নারীদের ধর্ষণ করার অভিযোগে মুন্না ভগত (২০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মৃত্যু বা হত্যার পর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে আসা নারীর মরদেহে একই পুরুষের বীর্যের উপস্থিতি পায় ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ। এরপর থেকেই শুরু হয় তদন্ত।

সিআইডির সূত্র মতে, গ্রেপ্তাকৃত মুন্না সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম জতন কুমার লালের সহযোগী হিসেবে কাজ করতো। দুই-তিন বছর ধরে তিনি মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল। অনুসন্ধানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না মৃত নারীদের ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

নারীর মরদেহে একই পুরুষের বীর্যের উপস্থিতি পাওয়ার পর তা পরীক্ষার জন্য কয়েকটি এইচভিএসে (হাই ভ্যাজাইনাল সোয়াব) ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবে পাঠানো হয়। কয়েক নারীর মরদেহে পাওয়া বীর্য একই ব্যক্তির বলে ডিএনএ পরীক্ষায় উঠে আসে। এরপর নড়েচড়ে বসে সিআইডি। গোপনীয়তার সঙ্গে অনুসন্ধান শুরু করে সিআইডির ঢাকা মেট্রো-পশ্চিম বিভাগ।

তদন্ত মতে, সিআইডি গোয়েন্দাদের অনুসন্ধানে নতুন ইঙ্গিত বা ক্লু পাওয়ায় প্রত্যেকটি মৃতদেহ মর্গে আনার পর তার কার্যধারা বিশ্লেষণ করা হয়। এতে দেখা গেছে, সবগুলো ক্ষেত্রেই ময়নাতদন্তের জন্য আনীত মরদেহসমূহ পরবর্তী দিনে লাশ কাটার অপেক্ষায় মর্গে রাখা হতো। তাই সিআইডি কর্মকর্তারা মর্গে কর্মরত ডোমদের ওই মামলার ময়নাতদন্তকালীন গতিবিধি পর্যালোচনা করেন। এতে দেখা যায়, হাসপাতালের ডোম আলোচ্য পাঁচটি ঘটনার সময় রাত্রীকালীন লাশ পাহাড়া দেয়াসহ মর্গে অবস্থান করে।

এ ঘটনায় ডোম মুন্না ভগত জড়িত রয়েছেন বলে প্রমাণ পায় সিআইডি। বিষয়টি বুঝতে পেরে গা ঢাকা দেন মুন্না। তাতে করে সিআইডির সন্দেহ আরো বেড়ে যায়। তাই শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা করে সিআইডি। পরে ওই রাতেই ১০টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এরপর আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে প্রেরণ করা হলে ডিএনএ ল্যাব হতে আসামির প্রাপ্ত ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে এইচভিএসে (হাই ভ্যাজাইনাল সোয়াব) থাকা ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে মিলে যায়। এতো বিজ্ঞানভিত্তিক তদন্ত দ্বারা উক্ত ঘটনার আসামি মুন্না কর্তৃক মৃত দেহের ওপর বিকৃত যৌনাচারের বিষয়টি প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0683 seconds.