evaly
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২১ নভেম্বর ২০২০ ১৭:৪২:২৬
  • ২১ নভেম্বর ২০২০ ১৭:৪২:২৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

মনির থেকে গোল্ডেন মনির হওয়ার গল্প

ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় অভিযান চালিয়ে গাড়ি ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনিরকে আটক করেছে র‌্যাব। গত রাত থেকে তার বাসায় অভিযান চলার পর আজ ২১ নভেম্বর, শনিবার সকালে তাকে আটক করা হয়।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ সময় আশিক বিল্লাহ বলেন, ৯০’র দশকে গাউছিয়া মার্কেটের একটি কাপড়ের দোকানের সেলসম্যানের চাকরি করতেন মনির। এরপর রাজধানীর মৌচাকের একটি ক্রোকারিজ দোকানে কাজ নেন তিনি। ওই সময় এক লাগেজ ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর মনির লাগেজ ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। ঢাকা-সিঙ্গাপুর–ভারত রুটে প্রথমে লাগেজে করে কাপড়, কসমেটিক, ইলেকট্রনিকস, কম্পিউটার সামগ্রী, মোবাইল, ঘড়িসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে আনা-নেয়ার কাজ করতে মনির।

তিনি আরো জানান, এ সময়ই তিনি লাগেজ স্বর্ণ চোরাচালানে জড়িয়ে পড়েন। তার এই চোরাকারবারি কাজে সাহায়তার জন্য বায়তুল মোকাররমে একটি জুয়েলারি দোকান দেন তিনি। এক পর্যায়ে মনির বড় ধরনের স্বর্ণ চোরাচালানকারী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। আর নাম হয় গোল্ডেন মনির।

চোরাচালানের দায়ে ২০০৭ সাল বিশেষ ক্ষমতা আইনে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয় বলেও জানিয়েছেন এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

আশিক বিল্লাহ আরো জানান, ভূমিদস্যুতার করে অসংখ্য প্লটের মালিক হয়েছেন মনির। রাজউক থেকে প্লটসংক্রান্ত সরকারি নথিপত্র চুরি করে এবং অবৈধভাবে রাজউকের বিভিন্ন কর্মকর্তাকে দাপ্তরিক কাজে ব্যবহার করে রাজউক, পূর্বাচল, বাড্ডা, নিকুঞ্জ, উত্তরা এবং কেরানীগঞ্জে নামে-বেনামে অন্তত দুই শতাধিক প্লট নিজের নামে করে নেন তিনি।

র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনির ৩০টির বেশি প্লটের কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানিয়েছেন সংস্থাটির এই মুখপাত্র।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0826 seconds.