evaly
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২১ নভেম্বর ২০২০ ১৮:১৮:১৬
  • ২১ নভেম্বর ২০২০ ২২:২১:৪৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

করোনার নেতিবাচক প্রভাবের শিকার নারী শ্রমিকরা : আইএলও

ছবি : সংগৃহীত

করোনা (কোভিড-১৯) মহামারী ব্যবসা-বাণিজ্যসহ মানুষের স্বাভাবিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী নারীরা। এমনকি তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত নারী শ্রমিকদের পরিস্থিতিরও অবনতি হয়েছে করোনার প্রভাবে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) এক নতুন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। আইএলও’র বেটার ওয়ার্ক প্রকল্পের আওয়তায় বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, কেনিয়া, লেসোথো ও ভিয়েতনামের পোশাক শ্রমিকদের নিয়ে এই সমীক্ষাটি করা হয়। এতে আরো দেখা গেছে, মজুরিভুক্ত চাকরি সমাজে নারীর ক্ষমতায়নকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, কর্মক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যাসহ তৈরি পোশাক খাতে (আরএমজি) করোনার নেতিবাচক প্রভাবের কারণে এ শিল্পে কর্মরত নারী শ্রমিকদের পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। এর মধ্যে বৈষম্য এবং হয়রানি, নারীদের কণ্ঠ রোধ, অসম মজুরি ও পারিবারিক বিধিনিষেধের মতো চ্যালেঞ্জগুলোও রয়েছে।

এ বিষয়ে সংস্থাটির বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর টুওমো পটিয়াইনেন জানান, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরতদের ৬০ শতাংশই নারী। নারীদের কর্মসংস্থান কমে গেলে তা কেবল তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নে বাধা সৃষ্টি করবে না- একই সঙ্গে অভিজ্ঞ, অনুগত এবং দক্ষ কর্মীদের ঘাটতিও বাড়িয়ে তুলবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, কর্মসংস্থানের ফলে এই দেশগুলোতে নারীর ক্ষমতায়ন বেড়েছে। এতে করে ঘরেও আয়-ব্যয়ের সিদ্ধান্তে তাদের সম্মান ও প্রভাব বেড়েছিল। এমনকি পুরুষরাও ঘরের কাজে অংশ নিয়েছে। কিন্তু করোনার ধাক্কায় এসব নারী শ্রমিকের কাজ হারানোয় বা আয় কমে যাওয়ায় তাদের সেই স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে। তাদেরকে আবারো অন্যের ওপর নির্ভরশীল হতে হচ্ছে।

পোশাক কারখানা চালু করা হলে সেখানে কর্মচ্যুত নারী শ্রমিকদের ফেরার পথ খোলা রাখার বিষয়ে নজর দেয়ার আহ্বান জানিয়ে আইএলও বর্তমান পরিস্থিতিতে তৈরি পোশাক খাতকে আগের অবস্থায় ফেরাতে বিভিন্ন সুপারিশও করেছে।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

Page rendered in: 0.0938 seconds.