• ১৩ ডিসেম্বর ২০২০ ১০:৪৭:০৬
  • ১৩ ডিসেম্বর ২০২০ ১০:৪৭:০৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

শিক্ষক প্রতিনিধি ছাড়াই রাবির সিন্ডিকেট সভা

ফাইল ছবি


রাবি প্রতিনিধি :


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যূনতম সদস্যের অংশগ্রহণে কোরাম পূর্ণ করে ৫০৩তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সভায় নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধিদের কেউ অংশ নেননি। গতকাল ১২ ডিসেম্বর, শনিবার সকালে উপাচার্যের বাসভবনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন, দুইটি ইনস্টিটিউটে কর্মকর্তা নিয়োগ অনুমোদন, কয়েকজন শিক্ষকের পদোন্নতি অনুমোদনসহ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিন্ডিকেটের একজন সদস্য জানান, মোট ১৮ জন সিন্ডিকেট সদস্যের মধ্যে মাত্র পাঁচজন সশরীরে সভায় উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য দুজন ও কোষাধ্যক্ষ পদাধিকার বলে সিন্ডিকেটের সদস্য। সিনেট মনোনীত সদস্য অধ্যাপক রুস্তম উদ্দিন আহমেদ সশরীরে অংশ নিলেও আচার্য মনোনীত সদস্য অধ্যাপক এম ওসমান গনি তালুকদার অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সিন্ডিকেট সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শিক্ষকদের ভোটে নির্বাচিত ছয়জন শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য হিসেবে থাকলেও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক হুমায়ুন কবীরের ডিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি সদস্য হিসেবে বহাল নেই। সহযোগী অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মোহা. মনিরুল হক এবং সহকারী অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক মো. আবদুল্লাহ আল মামুনের পদোন্নতি হওয়ায় এই দুই শিক্ষকও এখন সিন্ডিকেট সদস্য নন। এ ছাড়া প্রভাষক ক্যাটাগরিতে সদস্য ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক মো. মাসিদুল হক শিক্ষা ছুটিতে আছেন। পাশাপাশি এর বাইরেও পাঁচটি সদস্যপদ নানা কারণে শূন্য আছে।

বর্তমানে সিন্ডিকেটে শিক্ষকদের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে প্রাধ্যক্ষ ক্যাটাগরিতে আছেন মাদার বখ্শ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবদুল আলিম এবং অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মো. হাবীবুর রহমান।

অধ্যাপক হাবীবুর রহমান বলেন, ‘সিন্ডিকেটে আমরা বিএনপিপন্থী শিক্ষক কম। আমরা বিভিন্ন সময়ে শিক্ষক নিয়োগ অনুমোদনসহ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নানা সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ জানিয়েছি। কিন্তু আমাদের মতামত প্রায় সব সময়ই উপেক্ষিত হয়। তাই প্রতিবাদের অংশ হিসেবে আমরা সিন্ডিকেটে উপস্থিত হইনি।’

‘সিন্ডিকেটের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধিদের একটা গুরুত্ব রয়েছে। তারা ভেবেছিলেন শিক্ষক প্রতিনিধি ছাড়া সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হবে না বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হবে না। কিন্তু তা হয়নি।’ যোগ করেন অধ্যাপক হাবীবুর।

অধ্যাপক আলীম বলেন, ‘ছয় জন সদস্যের অংশগ্রহণে সিন্ডিকেট মিটিং করায় আইনগত বাধা না থাকলেও তা অশোভনীয়।’

এ বিষয়ে সহ-উপাচার্য আনন্দ কুমার সাহা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের কারণে ডিন, সিন্ডিকেট, শিক্ষক সমিতিসহ নানা নির্বাচন হতে পারছে না। এ কারণে সিন্ডিকেট সভায়ও সদস্য কমে গেছে। এ ছাড়া দুজন নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধি সভায় উপস্থিত হননি।’

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0842 seconds.