• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ ১৪:০০:২৬
  • ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ ১৪:০০:২৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

বিএনপিতে মুক্তিযোদ্ধাদের কোণঠাসা করা হচ্ছে, অভিযোগ মেজর হাফিজের

ছবি : সংগৃহীত

বিএনপিতে মুক্তিযোদ্ধাদের কোণঠাসা করতে একটি মহল সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তিনি জানিয়েছেন, বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে শিষ্টাচারবহির্ভূত কোন মন্তব্য করেননি তিনি। নিজেকে কখনো দলটির মহাসচিবও দাবি করেননি।

আজ ১৯ ডিসেম্বর, শনিবার সকালে বনানীতে নিজের বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে মুখোমুখি হন তিনি।

এসময় মেজর (অব.) হাফিজ অভিযোগ করেন, নোটিশ দিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী শিষ্টাচার বহির্ভূত কাজ করেছেন।

তার বিরুদ্ধে আনা সংগঠনবিরোধী সব অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে দল থেকে পদত্যাগ করবেন না বলেও জানান তিনি।

এসময় তিনি দাবি করেন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বা বিএনপির সর্বোচ্চ নেতৃবৃন্দকে উদ্দেশ্য করে কখনো কোনো অসৌজন্যমূলক বক্তব্যই দেননি।

খালেদা জিয়াকে মাইনাস করার কোনো ফর্মুলায়ও তিনি ছিলেন না বলে দাবি তার। বরং বিএনপিকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষায় কাজ করেছেন বলেও দাবি করেন মেজর (অব.) হাফিজ।

তিনি দাবি করেন, এক-এগারোর সময় তাকে মহাসচিব ঘোষণা করা সম্পর্কে কিছুই জানতেন না তিনি।

বরং তখনকার ১০৫ জন বিএনপির এমপিকে ফেরদৌস কোরেশির কিংস পার্টি যোগদান থেকে বিরত রেখে বিএনপির ভাঙন ঠেকান বলেও সাংবাদিকদের জানান।

মেজর (অব.) হাফিজ বলেন, ‘বিএনপিকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করেছি। এক-এগারোতে খালেদা জিয়ার নির্দেশই বিএনপিকে ক্ষমতায় বসাতে সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি।’

অথচ দলের কিছু ‘টাউট-বাটপার’ তাকে সংস্কারপন্থী বলে অপপ্রচার চালায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও শওকত মাহমুদ ছিলেন। শেষে পুরানা পল্টন মোড় ও জিরো পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ করেন বিএনপি’র এক দল নেতাকর্মী। পরে পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে সরিয়ে দেয়।

ওই সমাবেশের পেছনে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও শওকত মাহমুদ কলকাঠি নাড়েন বলে বিএনপি নেতাদের ধারণা। এর প্রেক্ষিতে ওই দিন সন্ধ্যায় এই দুই নেতাকে ১১টি অভিযোগ এনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বিএনপি। তাতে শওকত মাহমুদকে ৭২ ঘণ্টা ও হাফিজ উদ্দিনকে ৫ দিনের সময় দেওয়া হয়।

বাংলা/এসএ/

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0849 seconds.