• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২৮ ডিসেম্বর ২০২০ ২২:১৯:১৯
  • ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ ০৯:৩০:৫৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

হজ-ওমরা এজেন্সির অপরাধ দমনে আইন

সৌদিতে অপরাধ করলেও বিচার করা যাবে দেশে

ফাইল ছবি

হজ ও ওমরা এজেন্সির নানা অনিয়ম ও অপরাধ দূর করে সঠিকভাবে হজ ও ওমরা ব্যবস্থাপনায় নতুন আইন করছে সরকার। এর ফলে কোনো এজেন্সি সৌদি আরবে অপরাধ করলেও বাংলাদেশে সেই অপরাধের বিচার করা যাবে।

২৮ ডিসেম্বর, সোমবার মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে ‘হজ ও ওমরা ব্যবস্থাপনা আইন-২০২০’ র খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। নতুন আইনে হজ ও ওমরা ব্যবস্থাপনার সার্বিক দায়িত্ব সরকারের ওপর ন্যস্ত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে আনোয়ারুল ইসলাম জানান, নীতিমালার মাধ্যমে হজ ব্যবস্থাপনা চলার কারণে এজেন্সিগুলোর অপরাধ দমনে ব্যবস্থা নিতে সরকারের সমস্যা হতো। কোনো ব্যবস্থা নিলেই সংশ্লিষ্টরা হাইকোর্টে গিয়ে স্থগিতাদেশ নিয়ে আসতো। তাই নতুন আইনের মাধ্যমে হজ ও ওমরা পরিচালনার উদ্যোগ নেয় সরকার।

তিনি আরো বলেন, ২০১১ সাল থেকে সৌদি আরব হজ ব্যবস্থাপনাকে পরিবর্তন করে ফেলছে। ইতোমধ্যে পাকিস্তান, ভারত, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া আইন করেছে। হজ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে আমাদের সমন্বয় করতে একটা আইনি কাঠামোর দরকার ছিলো।

সচিব আরো বলেন, নতুন আইনে সরকার হজ ও ওমরা ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে সৌদি সরকারের সাথে চুক্তি ও সমঝোতার ভিত্তিতে ওই দেশের যে কোনো স্থানে হজ অফিস স্থাপনসহ সার্বিক কার্যক্রম নিতে পারবে।

তিনি আরো বলেন, আইনের অধীনে নিবন্ধন ছাড়া কাউকে ওমরা বা হজে কেউ পাঠাতে পারবে না। যদি কেউ এ বিষয়ে কোনো অনিয়ম করে, তাহলে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত তদন্ত ও শুনানির সুযোগ দিয়ে হজ ও ওমরা এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে।

তিনি জানান, হজের চুক্তি এখানে হওয়ার পরে কেউ সৌদিতে গিয়ে ঠকালে তবে ওই অপরাধ এই দেশে (বাংলাদেশে) হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। আর এই আইন অনুযায়ী সেই অপরাধের বিচার করা হবে। এছাড়া এজেন্সিগুলো অনিয়ম করলে তাদের নিবন্ধন বাতিলসহ জরিমানা করা হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরো জানান, নতুন আইনে হজ এজেন্সিগুলো অনিয়ম করলে তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হবে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। আর ওমরা এজেন্সির ক্ষেত্রে নিবন্ধন বাতিলসহ সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। এছাড়াও অনিয়মের জন্য পর পর দুই বছর ওয়ার্নিং দেয়া হলে দুই বছরের জন্য লাইসেন্স বাতিল হবে। আর হজ এজেন্সিগুলো মালিকানা পরিবর্তন করতে চাইলে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1067 seconds.