• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৩ জানুয়ারি ২০২১ ১৪:১৪:৫৩
  • ০৩ জানুয়ারি ২০২১ ১৪:১৪:৫৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন মামলায় স্থানীয় ইউপি সদস্যের জামিন

ছবি : প্রতীকী

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে গৃহবধূকে নির্যাতন ও ধর্ষণ মামলায় আসামি স্থানীয় ইউপি সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন প্রকাশ সোহাগকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আজ ৩ জানুয়ারি, রবিবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশে দেন। আদালতে আসমিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. অজি উল্লাহ। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন।

এর আগে গত ১৫ নভেম্বর ওই ঘটনায় প্রধান আসামি দেলোয়ার হোসেন প্রকাশ দেলুসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পাশাপাশি চার্জশিটে মামলা দুটি থেকে গ্রেপ্তার আসামি রহমত উল্যা ও মাইন উদ্দিন শাহেদকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। অভিযুক্ত ১৪ জনের মধ্যে চার জন এখনো পলাতক রয়েছে। গত ১৫ ডিসেম্বর সকালে নোয়াখালী পিবিআই কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য জানিয়েছিলেন পিবিআই চট্টগ্রাম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইকবাল।

এ মামলার আসামিরা হচ্ছেন— দেলোয়ার হোসেন দেলু, জামাল উদ্দিন প্রকাশ প্রবাসী জামাল, নূর হোসেন বাদল, আব্দুর রহিম, মোহম্মদ আলী প্রকাশ আবুল কালাম, সামছুদ্দিন সুমন প্রকাশ কন্ট্রাক্টর সুমন, ইস্রাফিল হোসেন মিয়া, মাইন উদ্দিন সাজু, নূর হোসেন রাসেল, আনোয়ার হোসেন সোহাগ, আব্দুর রব চৌধুরী প্রকাশ লম্বা চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান প্রকাশ আরিফ, মিজানুর রহমান প্রকাশ তারেক, মোয়াজ্জেম হোসেন সোহাগ প্রকাশ সোহাগ।

জানা যায়, গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে ওই নারীর সঙ্গে তার আগের স্বামী দেখা করতে তার বাবার বাড়ি একলাশপুর ইউনিয়নের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে আসেন। বিষয়টি দেখে ফেলে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ার। রাত ১০টার দিকে দেলোয়ারের লোকজন ওই নারীর ঘরে ঢুকে পর পুরুষের সঙ্গে অনৈতিক কাজ ও তাদের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে পিটিয়ে ওই নারীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করা হয়। ৪ অক্টোবর দুপুরে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলায় তথা দেশব্যাপী তোলপাড় শুরু হয়। পরে এ ঘটনায় দায়েরকৃত নির্যাতন, ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইতে হস্তান্তর করা হয়।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0932 seconds.