• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৫ জানুয়ারি ২০২১ ০০:৩২:১৫
  • ০৫ জানুয়ারি ২০২১ ০০:৩২:১৫
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

২০০ বছরের প্রাচীন জলাধার ভরাটে তদন্তের নির্দেশ

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বরিশাল নগরের ২০০ বছরের বেশি প্রাচীন জলাধার (দিঘি) বালি দিয়ে ভরাট ও এর মালিকানা দাবির বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বরিশাল জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালককে তদন্ত করে সুপ্রিম কোর্টে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

একইসঙ্গে সেই দিঘিতে মাটি ভরাট কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবেনা, এসএ ও আরএস পর্চা ম্যাপ অনুসারে দিঘিটি পূর্বের অবস্থায় কেন ফেরত নেওয়া হবেনা এবং দিঘিটির চতুর্পাশে পিলার দিয়ে কেন সৌন্দর্যবর্ধন করে সংরক্ষণ করা হবেনা, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। ৪ জানুয়ারি, সোমবার জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিট আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন হাসান তারিক পলাশ। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট আরিফ আহমেদ। এর আগে বরিশাল নগরীর সবচেয়ে বৃহৎ ও দু‘শতাধিক বছরের প্রাচীন জলাধার বালি দিয়ে ভরে ফেলা এবং সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানের মালিকানা দাবি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, ‘বরিশাল নগরীর সবচেয়ে বৃহৎ ও দু’শতাধিক বছরের প্রাচীন জলাধার বালি দিয়ে ভরে ফেলছে জমির মালিকানা দাবি করা সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যান। ইতোমধ্যে ট্রাকে করে বৃহৎ এই জলাধারের কিয়দাংশ ভরাট করে ফেলা হয়েছে। এত বড় জলাধার বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন বাধা দিলেও চুপিসারে প্রতিনিয়ত ভরে ফেলা হচ্ছে এই সম্পদ। জলাধারের কাগজপত্রে এটি সিতা রামের দিঘী, পানীয় জলের জন্য সাধারণের ব্যবহার্য ‘এই কথাটি উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও প্রতিনিয়ত বালি দিয়ে ভরে হচ্ছে এই প্রাচীন ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সম্পদ।’

‘বরিশাল নগরীরর ২৯ ওয়ার্ডের আওতাধীন কাশীপুর বাজার ছাড়িয়ে গেলে চোখে পাড়বে বৃহৎ আকারের এই দিঘিটি। স্থানীয় ভাবে দিঘিটি সীতারামের দিঘি নামে সুপরিচিত। এক সময়ে চন্দ্রদ্বীপ রাজবংশ অন্তরগত এই ২.৯৮ একরের দিঘি ছাড়াও ১.৩৯ একর জায়গায় স্থাপিত হয়েছে ইউনিয়ন ভূমি আফিস যা একটি বৃহদাকার ভবন নিয়ে গঠিত।’

পরে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো সংযুক্ত করে বরিশালের বিভাগীয় পরিবেশ ও মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন নাগরীক অধিকারের পক্ষে আইনজীবী সাইমুল ইসলাম রাব্বী গত ১৫ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন।

এর আগে গত ৬ জুন দিঘির ভরাট রোধে সংশ্লিষ্টদের একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয় এই আইনজীবীর পক্ষে থেকে।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0762 seconds.