• বিদেশ ডেস্ক
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২১ ২১:০৪:৩৪
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২১ ২১:০৪:৩৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

বার্ড ফ্লু’র মধ্যে মুরগির মাংস-ডিম খাওয়া কি নিরাপদ?

ফাইল ছবি

করোনা (কোভিড-১৯) মহামারীর মধ্যে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বার্ড ফ্লু-র সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। এছাড়াও আরো কিছু এলাকায় এই ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয়ায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এমতাবস্তায় হাঁস-মুরগির ডিম-মাংস কতটা নিরাপদ তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

হাঁস -মুরগি ও ডিম সবই পোলট্রিজাত। তাই এই পাখি বা ডিম হাত দিয়ে ধরার ক্ষেত্রে একটা ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত পাখি বা হাঁস-মুরগি থেকে এই ভাইরাস মানুষের শরীরে সংক্রমিত হতে পারে বলে এমন কিছু জানাচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।

তবে পাখি থেকে মানুষে সংক্রমণের সম্ভাবনা রোধে ডিম সেদ্ধ করে এবং মাংস পুরোপুরি রান্না করে খাওয়ার নির্দেশনা জারি করেছে ভারতের সরকার।

এ বিষয়ে প্রাণী সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরাও জানান, ডিম বা মাংস খেলে বার্ড ফ্লু ছড়ায় না। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনতার ওপরই জোর দিচ্ছেন তারা।

বিশেষজ্ঞরা জানান, কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে। কেউ অসুস্থ পাখির সংস্পর্শে আসলে তার শরীরে ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। বিশেষত যারা পোল্ট্রিতে কাজ করেন তাদের সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। যদিও একজন মানুষ থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়াতে ভাইরাস।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ইনফ্লুয়েঞ্জা ‘এ’ (H5N1) ভাইরাস সংক্রমণের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আক্রান্ত বা মৃত হাঁস-মুরগির প্রত্যক্ষ বা অপ্রত্যক্ষ যোগ থাকলে তবেই সংক্রমণ হবে।

মুরগি ও ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) ও অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্স (এআইএমএস) বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে। পরামর্শগুলো হলো- স্বাস্থ্যকর ভাবে রান্না করতে হবে। হাঁস-মুরগি বা তার ডিম দুই খুব ভাল ভাবে রান্না করতে হবে। এই অবস্থায় ডিমের হলুদ অংশটা কাঁচা বা অর্ধেক রান্না অবস্থায় খাওয়া ঠিক হবে না। ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রান্না হলে পাখির শরীরে ভাইরাস থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই অনেকটা সময় নিয়ে রান্না করাই ভালো। কারণ ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর রান্না করলে এই ভাইরাস বাঁচতে পারে না।

পোলট্রিজাত পাখি হাতে নেয়ার পর অন্তত ২০ সেকেন্ড গরম পানিতে হাত ধুয়েই রান্না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রতিরোধের উপায়?

১. খালি হাতে অসুস্থ্য বা অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে এমন হাঁস-মুরগি বা অন্য পাখি ধরা বা নাড়াচাড়া করা উচিত নয়।

২. অসুস্থ হাঁস, মুরগি বা অন্য পাখিদের শিশুদের থেকে দূরে রাখতে হবে।

৩. আক্রান্ত পাখিদের বিষ্ঠায় অতিরিক্ত পরিমাণে এই ভাইরাস পাওয়া যায়। তাই ঘরে পাখি পালন করলে পাখির বিষ্ঠার মাধ্যমে শিশু ও বড়দের মধ্যে জীবাণু সংক্রমনের সম্ভাবনা বেশি থাকে।

৪. হাঁস, মুরগি বা পশুপাখি ধরার পর ভালো করে সাবান দিয়ে দুই হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

সূত্র : এই সময়

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1026 seconds.