• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২১ ২১:৪৯:১৭
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২১ ২১:৪৯:১৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ওবায়দুল কাদের ভাই সত্য বলেছেন : হাজারী

জয়নাল হাজারী ও আবদুল কাদের মির্জা। ছবি : সংগৃহীত

আবদুল কাদের মির্জার বক্তব্য সত্য বলে দাবি করেছেন ফেনীর সাবেক সাংসদ ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য জয়নাল হাজারী। এমনকি মির্জা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেনি করেনি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার ফেসবুক লাইভে এই দাবি করেন তিনি।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদরের ছোট ভাই ও নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার দেয়া বক্তব্যে দেশজুড়ে চলমান আলোচনার মধ্যেই এমন মন্তব্য করলেন জয়নাল হাজারী। 

ওই লাইভে জয়নাল হাজারী বলেন, আবদুল কাদের মির্জা সত্য বলেছে। কিন্তু ওবায়দুল কাদের সাহেব যে কারণেই হোক ত্রাণ কমিটির মিটিংয়ে বলেছেন- দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না, তার শাস্তি হবে। মির্জা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেনি, আপনাকে বা প্রধানমন্ত্রীকেও খারাপ বলেনি। তিনি দলের ভেতরে থাকা দুর্নীতিবাজদের বিচার চেয়েছেন। এই দুর্নীতিবাজরা আপনার ও নেত্রীর সুনাম নষ্ট করছে। পাপিয়াতো দলের নেত্রী ছিল, সম্রাট, আরমানসহ অনেকেই অপরাধ করে আজ কারাগারে।

তিনি আরো বলেন, মির্জা প্রমাণ করেছে বাংলাদেশে এখনো বাক স্বাধীনতা রয়েছে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আছে। আমার বিশ্বাস মির্জার বক্তব্যের কারণে বাংলাদেশর রাজনীতি দৃশ্য পরিবর্তন হয়ে গেছে। এ সময় আব্দুল কাদের মির্জাকে বীরপুরুষ হিসেবে আখ্যায়িত করেন জয়নাল হাজারী।

এর আগে, গত ৩১ ডিসেম্বর বসুরহাট পৌরভবন চত্বরে নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেন নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহসভাপতি ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। এ সময় আবদুল কাদের মির্জা বলেন, বৃহত্তর নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের কিছু কিছু চামচা নেতা আছেন, যারা বলেন অমুক নেতা, তমুক নেতার নেতৃত্বে বিএনপির দুর্গ ভেঙেছে। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বৃহত্তর নোয়াখালীতে তিন-চারটি আসন ছাড়া বাকি আসনে আমাদের এমপিরা দরজা খুঁজে পাবে না পালানোর জন্য। এটিই হলো সত্য কথা। সত্য কথা বলতে হবে। আমি সাহস করে সত্য কথা বলছি।

তিনি আরো বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করেন, তারা হচ্ছেন নেতা। টেন্ডারবাজি করে কোটি কোটি টাকা লুটপাট যারা করেন, তারা হচ্ছেন নেতা। পুলিশের, প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি দিয়ে যারা পাঁচ লাখ টাকা নেন, তারা হচ্ছেন নেতা। গরীব পিয়নের চাকরি দিয়ে তিন লাখ টাকা যারা নেন, তারা হচ্ছেন নেতা।

এই বক্তব্যের পর থেকেই আওয়ামী লীগের ভিতরেসহ সারাদেশে তুমুল-আলোচনার সৃষ্টি হয়। আর এর মধ্যে আবদুল কাদের মির্জাকে সমর্থ জানিয়ে মন্তব্য করলেন জয়নাল হাজারী।

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1936 seconds.