• বিদেশ ডেস্ক
  • ০৯ জানুয়ারি ২০২১ ১৭:৩৮:২১
  • ০৯ জানুয়ারি ২০২১ ১৭:৩৮:২১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

দিনে গরম-রাতে ঠান্ডা, চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা

ছবি : সংগৃহীত

বর্তমান আবহাওয়াটা একটু অদ্ভুত। দুপুরবেলা গরম আর রাত নামলেই হাড় কাঁপানো শীত। এমন আবহাওয়া শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য বিপদের কারণ। তাপমাত্রার এই তারতম্যে রোগ সৃষ্টিকারী পরজীবীরা সক্রিয় হয়। নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ক্যাটারাহেইলস, ই-কোলি ও ক্যাম্পাইলোব্যাকটর মতো ভাইরাস সংক্রমণ ঘটনায়।

ফলে ঘনঘন ফুসফুসে সংক্রমণ ও পেটখারাপ হতে পারে। তাই এ আবহাওয়ায় শিশু আর বৃদ্ধাদের সাবধান করছেন চিকিৎসকরা। কারণ তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম। এ সময় তাদেরই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। হঠাৎ করে জ্বর ও গলায় ব্যথা দেখা দিতে পারে।

এ বিষয়ে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. প্রভাসপ্রসূন গিরি জানান, এখন ভরা শীত। এ সময় শিশুদের গরম কাপড় পরিয়ে রাখছেন অভিভাবকরা। তবে মাথায় রাখতে হবে, বড়রা গরম লাগলে গায়ের সোয়েটার খুলে ফেলতে পারেন। কিন্তু দু’বছরের শিশুর পক্ষে তা সম্ভব নয়। ফলে ভিতরে ঘেমে সেই ঘাম বসে নানা অসুখ দেখা যাচ্ছে ছোটদের। আবার রাতে ছোটদের খালি গায়ে শোয়ালেও সমস্যা। ভোরবেলার দিকে তাপমাত্রা হঠাৎ নেমে যাচ্ছে। এ সময় গরম জামা গায়ে না দিলে ঠান্ডা লেগে যাচ্ছে।

তাই বর্তমান পরিস্থিতে তাপমাত্রা অনুযায়ী ছোটদের পরিধান বদলে দিতে বলছেন চিকিৎসকরা। এছাড়াও নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা ব্যাকটেরিয়ার বাড়বাড়ন্তে ফুসফুসের উপরিভাগের সংক্রমণ ঘটে। তাই ধূমপায়ীদেরও তাই সাবধান করছেন চিকিৎসকরা।

চিকিৎসকরা আরো জানান, এ সময় গলার খুশখুশ ভাব এড়াতে ঠান্ডা খাবার খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে গরম খাবার খেলে ক্ষতি হবে। দু’ধরনের তাপমাত্রায় শরীর খারাপ হতে বাধ্য। হঠাৎ তাপমাত্রা বেড়ে গেলে শ্বাসকষ্টের সমস্যাও বেড়ে যায়। এছাড়াও ধুলোবালির হাত থেকে বাঁচতে রুমালে নাক ঢাকাই উত্তম। যদিও রাস্তায় সারাক্ষণ মাস্ক পরে থাকলে ধুলো অনেকটাই এড়ানো যাবে বলেও জানান চিকিৎসকরা।

এ সময় বৃদ্ধ বা বয়স্কদের বিপদও কম নয়। বয়স্করোগ বিশেষজ্ঞ কৌশিক মজুমদার জানান, যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের সাবধানে থাকতে হবে।

কৌশিক মজুমদার আরো জানান, ডায়াবেটিসের ওষুধ খেলে এমনিতেই সোডিয়ামের তারতম্য হয়। আর হঠাৎ গরমে অতিরিক্ত ঘাম বেরিয়ে গেলে শরীরে সোডিয়ামশূন্যতা তৈরি হতে পারে। তাই হাঁটতে বের হলে বয়স্কদের হাতে ছাতা অথবা টুপি রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

তিনি আরো জানান, হঠাৎ পিপাসা পেলে রাস্তা থেকে পানি না খাওয়াই উত্তম। তাতে পেটখারাপের সম্ভাবনা অনেক বেশি। তাই সঙ্গে পানির বোতল রাখা উচিত। আর গরম লাগলেও রাস্তার বরফ-আইসক্রিম বা ঠান্ডা পানীয় খাওয়া যাবে না।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

বাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0842 seconds.