• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২০ জানুয়ারি ২০২১ ২০:৩৮:৫২
  • ২০ জানুয়ারি ২০২১ ২০:৩৮:৫২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি সংসদে

ছবি : সংগৃহীত

মহামারি করোনার কারণে বন্ধ রয়েছে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই চলমান ছুটি বাড়িয়ে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এবার বন্ধ থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি উঠেছে সংসদে। বুধবার (২০ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের একাধিক সদস্য এ দাবি জানান।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার সংসদের বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে বেশিরভাগ জেলার সংসদ সদস্যরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানান।

লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, করোনাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভার্চুয়াল ক্লাস হলেও গ্রামের শিক্ষার্থীরা খুব বেশি উপকৃত হতে পারছে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হোক।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার একই দাবি জানান সরকারি দলের আরেক সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।

অন্যদের মধ্যে সরকারি দলের সাংসদ এস এম শাহজাদা, সংরক্ষিত নারী আসনের খালেদা খানম, স্বতন্ত্র সংসদ রেজাউল করিম প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।

এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি নিয়ে আগামী ২১ জানুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির অংশগ্রহণে এক ভার্চুয়াল বৈঠক হওয়ার কথা জানা গেছে। বৈঠকে চলতি বছরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি সংক্রান্ত আলোচনা, সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এসএসসি ও সমমানের শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে কিনা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা এই তিন বিষয় প্রাধান্য পেতে পারে।

বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ ঊর্ধতন কর্মকর্তারা অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, করোনার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী ফেব্রুয়ারিতেই খোলা হবে কিনা বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের আংশিক উপস্থিতিতে ক্লাস নেওয়ার বিষয়টিও প্রাধান্য পেতে পারে।

ক্লাস চালু হলে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমান শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা অগ্রাধিকার পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, ফেব্রুয়ারি থেকে সব শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু নাও হতে পারে।

এছাড়াও এনসিটিবির তৈরি করার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মতামত নিয়ে ক্লাস শুরু করার দিনও ঘোষণা হতে পারে।

বৈঠকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর কর্মকর্তাদের অংশ নেওয়ার কথাও জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0932 seconds.