• বিদেশ ডেস্ক
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৩:৫৬:০৯
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১০:১০:৫২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

মিয়ানমারে ক্যু : বিশ্বনেতাদের নিন্দা, বিক্ষোভের আহ্বান সূ চি’র

ছবি : সংগৃহীত

মিয়ানমারের ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেত্রী অং সান সু চি এবং দেশটির রাষ্ট্রপতি উইন মিন্টকে গ্রেপ্তারের পর দেশটিতে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করেছে সেনাবাহিনী। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিশ্বনেতারা। আর এ ঘটনার প্রতিবাদে সমর্থকসহ জনসাধারণকে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছে এনএলডি।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান ও শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেপ্তারের কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন। আজ ১ ফেব্রুয়ারি, সোমবার জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টাফেন দুজারিক এক বিবৃতিতে এসব জানান।

মিয়ানমারের নির্বাহী এবং বিচারিক ক্ষমতা সামরিক বাহিনীতে স্থানান্তরের ঘোষণার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এসব ঘটনা মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক সংস্কারে মারাত্মক আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান, কম্বোডিয়া এবং সিঙ্গাপুরও। সতর্কভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে প্রতিবেশী বাংলাদেশ।

নয়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিনকেন বলেছেন, ‘৮ নভেম্বরর গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচত সরকারি কর্মকর্তা এবং সুশীল সমাজের নেতাদের মুক্তি এবং বার্মার জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান জানাতে বার্মিজ সামরিক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানাই।’

হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনকে মিয়ানমারের সবশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত করা হয়েছে। হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জেন সাকি বলেন, ‘সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তন করতে বা মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক উত্তরণে বাধা দেয়ার যেকোনো প্রয়াসের বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র।’

এই পদক্ষেপগুলো পরিবর্তন না করলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার করে দেন তিনি।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে ‘আইনের শাসনকে সম্মান জানাতে, আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে বিরোধের সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেরিস পেইন। তিনি অবিলম্বে সব বেসামরিক নেতা এবং আটককৃতদের মুক্তি দেয়ারও আহ্বান জানান।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ‘মিয়ানমারে যা ঘটছে তা আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে দেখছি। মিয়ানমারে গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতার হস্তান্তর প্রক্রিয়ার প্রতি ভারতের সমর্থন সব সময়ই অবিচল ছিল। আমরা বিশ্বাস করি যে আইনের শাসন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সমুন্নত থাকবে। আমরা নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’

জাপানের চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি কাসুনোবু কাটো সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘জাপান বিশ্বাস করে যে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আলোচনার মাধ্যমে দুই পক্ষের সমস্যার সমাধান করা উচিত।’

এদিকে মিয়ানমারের ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)সোমবার জানিয়েছে তাদের নেতা অং সান সু চি জনগণকে এই সেনা অভ্যুত্থান মেনে না নিয়ে বিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছেন।

এনএলডি’র এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সামরিক বাহিনীর এই পদক্ষেপ দেশকে আবারো স্বৈরতন্ত্রের দিকে ঠেলে দেয়ার পদক্ষেপ।’

অং সান সু চির নাম উল্লেখ করে এতে বলা হয়, ‘আমি জনগণকে এটি মেনে না নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। তাদের প্রতিক্রিয়া জানাতে এবং আন্তরিকভাবে এই সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

বাংলা/এসএ/

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1071 seconds.