• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১০:১৮:৩৪
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১০:১৮:৩৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ওয়ান্ডারার্সের গোপালের পরবর্তী জামিন শুনানি ৮ ফেব্রুয়ারি

ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাব [ফাইল ছবি]

ক্যাসিনোকাণ্ডসহ বিভিন্ন অভিযোগে করা মামলার আসামি ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সাবেক সেক্রেটারি জয় গোপাল সরকারের পৃথক ছয়টি মামলার জামিন চেয়ে করা আবেদনের ওপর দ্বিতীয় দিনের মতো শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বিষয়ে আরো শুনানির জন্যে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

গতকাল ২ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার জামিন সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও মহি উদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ঢাকা ওয়ান্ডার্স ক্লাবের গঠনতন্ত্র, কমিটি ও অডিট রিপোর্ট চেয়েছিলেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবারের (২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে এসব প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়। সেসব দাখিলের পরে শুনানি নিয়ে আদালত এ আদেশ দেন। 

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও আইন প্রতিমন্ত্রী মো. কামরুল ইসলাম। তার সাথে ছিলেন অ্যাডভোকেট মুনমুন নাহার।

অপরদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান ও শাহীন আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহজাবিন রাব্বানী দীপা ও আন্না খানম কলি।

এর আগে ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সাবেক সেক্রেটারি জয় গোপাল সরকারের জামিন আবেদনের শুনানিতে ঢাকা ওয়ান্ডার্স ক্লাবের গঠনতন্ত্র, কমিটি ও অডিট রিপোর্ট চেয়েছিলেন হাইকোর্ট। তারই ধারাবাহিকতায় এসব নথিপত্র জমা দেন তার আইনজীবীরা। নথিপত্রের তথ্যে তুলে ধরে অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম আদালতে জানান, ১৯৩০ সালে ওয়ান্ডারার্স ক্লাব প্রতিষ্ঠা হয়। সেখানে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, হ্যান্ডবলসহ বিভিন্ন খেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

এই ক্লাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফুটবল খেলতেন। তিনি ফুটবল খেলতে গিয়ে একাই তিনটি গোল করেছিলেন। এ সময় ক্যাসিনো খেলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, সোমবার কোর্টে ক্যাসিনোকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সেক্রেটারি জয় গোপাল সরকারের ছয় মামলার ছয়টি আবেদনের ওপর শুনানি হয়। শুনানিতে সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) আসামি পক্ষের আইনজীবীর কাছে ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের গঠনতন্ত্র, কমিটি ও অডিট রিপোর্ট চেয়েছিলেন। আদালতে এসব রিপোর্ট দাখিল করতে বলেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় তারা সেটি আজ আদালতে দাখিল করেন আসামিপক্ষ। সেটির ওপর শুনানি নিয়ে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেন।

জানা গেছে, জয় গোপাল ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের একজন ফুটবলার ছিলেন। অবসরে গিয়ে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, পরে ক্যাশিয়ারের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে ক্লাবটির সাধারণ সম্পাদক হন। তার হাত ধরেই গেন্ডারিয়ার আওয়ামী লীগ নেতা ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িত হওয়ার কথা জানায় সিআইডি।

গত বছরের ১৩ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের একটি ভবন থেকে এক সহযোগীসহ দুই ভাই এনু ও রুপনকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। এরপর গেন্ডারিয়া থানায় মানি লন্ডারিং আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়ার আদালতে দেয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে জয় গোপালের নাম উঠে এলে সিআইডি তাকে গত বছরের ১৩ জুলাই সোমবার লালবাগ থেকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাস তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1037 seconds.