• ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০৯:৪৬:৫২
  • ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০৯:৪৬:৫২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

কুড়িগ্রামে শিশু হত্যায় অভিযুক্ত কিশোরকে সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ

ছবি : বাংলা


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :


কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ঝগড়ারচর গ্রামে তিন বছরের শিশু শাফির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশুটির প্রতিবেশি কিশোর মামা আলমাস ইসলাম অপুকে (১৫) যশোরের ফুলেরহাটে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে (সংশোধনাগার) পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

গতকাল ৭ ফেব্রুয়ারি, রবিবার দুপুরে অভিযুক্ত অপুকে কুড়িগ্রাম জেলা শিশু আদালতে উপস্থাপন করা হলে আদালত এ আদেশ দেন। পরে অপুকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর উদ্দেশে কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।

রৌমারী থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মোন্তাছের বিল্লাহ এবং কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারের জেলার শরিফুল আলম এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার বিকালে শিশু শাফি (৩) নিখোঁজ হলে ওই দিনই রাত সাড়ে ১১টায় পার্শ্ববর্তী একটি বাড়ি থেকে শাফির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

শিশু শাফির পুরো নাম হুসাইন আহাম্মেদ শাফি (৩)। সে উপজেলার দাঁতভাঙা ইউনিয়নের ঝগড়ারচর গ্রামের প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক জাহেদুল ইসলাম ও শরিফা ইসলাম দম্পতির একমাত্র ছেলে।

আর অভিযুক্ত কিশোর অপু একই ইউনিয়নের সাটকড়াইবাড়ী গ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকার আব্দুর রউফের ছেলে। তবে সে নিহত শিশু শাফিদের বাড়ির পাশে তার নানা আজিজুল ইসলামের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।

শাফির পরিবারের অভিযোগ, কয়েকদিন ধরেই অপু শাফিকে নিয়ে নিজের কাছে রাখতো। মোবাইলে গেম খেলতে দিয়ে তাকে ব্যস্ত রাখতো। ঘটনার দিনও সে শাফিকে নিয়ে গিয়েছিল। যে বাড়ি থেকে শাফির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার হয় সেটিও শাফির নানা বাড়ি।

শাফির মা বলেন, ‘আমার সন্দেহ সে-ই (অপু) আমার সোনামণিকে মেরে ফেলছে।’

এদিকে ঘটনার রাতেই পুলিশ অপুকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে ৬ ফেব্রুয়ারি, শনিবার  নিহত শাফির বাবা জাহেদুল ইসলাম বাদী হয়ে অপুকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা করেন। এরপর রবিবার সকালে অভিযুক্ত অপুকে আদালতে পাঠায় পুলিশ।

ওসি মোন্তাছের বিল্লাহ জানান, জিজ্ঞাসাবাদে অপু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে।

তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত কিছু জানাননি ওসি।

ওসি বলেন, ‘নিহত শিশুটির বাবা বাদী হয়ে অপুকে অভিযুক্ত করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আমরা অভিযুক্ত কিশোরকে আদালতে উপস্থাপন করলে আদালত তাকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।’

কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারের জেলার শরিফুল আলম জানান, ‘কিশোর অপু বর্তমানে জেলা কারাগারে রয়েছে। আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক তাকে খুব শীঘ্রই যশোরের ফুলেরহাটে অবস্থিত কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।’

বাংলা/সিকেএস/এসএ/

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1020 seconds.