• বাংলা ডেস্ক
  • ০৩ এপ্রিল ২০২১ ১৪:৩৩:১৪
  • ০৩ এপ্রিল ২০২১ ১৪:৩৩:১৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

'মাছ চুরি'র দায়ে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন

মাছ চুরির অভিযোগে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের পর সেই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন রাজশাহীর এক পুকুরমালিক। জেলার চারঘাট উপজেলায় শুক্রবার দুপুরে কিশোরটিকে নির্যাতন করা হয়। কিশোরটি বর্তমানে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছে।

এদিকে নির্যাতনের ঘটনায় কিশোরটির বাবা চারঘাট থানায় মামলা করলে শুক্রবার রাতেই ওই পুকুরের মালিক জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কিশোরকে মারধরের পাশাপাশি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনেও ওই পুকুরমালিককে মামলায় আসামী করা হয়েছে বলে জানিয়েছে চারঘাট থানা পুলিশ।  

পুকুরমালিক জহিরুলের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মাছ চুরির অভিযোগে তিনি চারঘাটের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়া এক কিশোরকে গাছে বেঁধে রাখেন। আবার বেঁধে রাখার সেই ছবি তুলে তা পোস্ট করেন ফেসবুকে।

এদিকে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার আগে সেই পুকুরমালিক বলেন, ‘পানি কমে যাওয়ায় পুকুরে হাতড়ে মাছ ধরা যায়। পুকুরে দেড় লাখ টাকার মাছ ছাড়া ছিল। প্রায়ই আমার পুকুর থেকে মাছ চুরি হয়। সেদিন দুপুরেও তিনজন পানিতে নেমে মাছ ধরতে থাকে আমাকে দেখে দুজন পালিয়ে গেলেও আমি একজনকে ধরতে পারি।’

শিশুটিকে গাছে বেঁধে মারধরের কথা স্বীকার করে জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি অল্প শাস্তি দিয়ে কিশোরটিকে সংশোধন করতে চেয়েছিলাম।’

শিশুটির বাবা অভিযোগ করেন, তাঁর ছেলে মাছ ধরতে নয় গোসল করতে পুকুরে গিয়েছিল। তাকে বিনা অপরাধে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে।

এই ঘটনায় চারঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমি রাতেই হাসপাতালে গিয়ে ছেলেটিকে গিয়ে দেখে এসেছি। ছেলেটির বাবার করা মামলায় ইতোমধ্যে পুকুরমালিক গ্রেপ্তার হয়েছেন।’

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1062 seconds.