• ০৬ এপ্রিল ২০২১ ২১:৩১:২৮
  • ০৬ এপ্রিল ২০২১ ২১:৩১:২৮
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

৮ এপ্রিল থেকে শপিংমল-দোকান খুলতে চান ব্যবসায়ীরা

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় গত সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে সার্বিক কার্যক্রম ও চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। এতে কর্মস্থলমুখী মানুষ ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়ে। এ ভোগান্তি নিরসনে বুধবার (৭ এপ্রিল) থেকে ঢাকাসহ দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দিয়েছে সরকার।

লকডাউনেও গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত নেয়ার পর দোকানপাট খোলা হচ্ছে কি-না তা নিয়ে ধোঁয়াশায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। আগামী বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) থেকে তারা সীমিত পরিসরে শপিংমল ও দোকানপাট খুলতে চান। এখন সরকারি সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে ক্ষতির মুখে পড়ে উৎকণ্ঠায় দিন পার করা ব্যবসায়ীরা।

এদিকে এরই মধ্যে এক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে শপিংমল-দোকানপাট খুলে দেয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। চিঠিতে তারা আগামী বৃহস্পতিবার থেকে ক্ষুদ্র, পাইকারি, খুচরা মার্কেট ও দোকান সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে খোলা রাখার অনুরোধ করেছেন।

চিঠিতে তারা জানিয়েছেন, গত বছরের (২০২০ সাল) লকডাউনে তারা ৬-৭ হাজার কোটি টাকার পুঁজি হারিয়েছেন। সেই সঙ্গে রমজান ও ঈদ উপলক্ষে ২০-২২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন। বড় ধরনের ক্ষতির পরও করোনার মধ্যে ক্ষুদ্র, পাইকারি, খুচরা মার্কেট ও দোকানিরা দেশ ও জাতির স্বার্থে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ব্যাপারে তাদের মানসিক প্রস্তুতি ছিল।

এতে ব্যবসায়ীরা আরও উল্লেখ করেন, কিন্তু এ বছর ক্ষুদ্র, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা রমজান ও ঈদ উপলক্ষে কিছুটা ব্যবসার আশায় নতুন করে বিনিয়োগ করেছেন। অথচ হঠাৎ করেই লকডাউনের ঘোষণায় ফের ব্যবসায়ীরা পুঁজি হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের সীমিত পরিসরে ব্যবসা করার সুযোগ না দিলে পুঁজিসহ সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়বেন।

এদিকে লকডাউন ঘোষণার পর টানা তিনদিন ধরে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা। তারা নির্দিষ্ট সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন।

ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা বলছেন, সামনে বাংলা নববর্ষ, রমজান ও ঈদ। এসব উৎসব ঘিরে যে বিনিয়োগ করা হয়েছে, তা যদি না ওঠে তাহলে তারা নিঃস্ব হয়ে যাবে। এজন্য নির্দিষ্ট কিছু সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দেয়ার দাবি তাদের।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

শপিংমল দোকান ব্যবসায়ী

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0846 seconds.