• ১২ এপ্রিল ২০২১ ১৫:২৪:৩৫
  • ১৪ এপ্রিল ২০২১ ১২:৪১:১৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

টাঙ্গাইলের পল্লবীর উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প

টাঙ্গাইলের মেয়ে পল্লবী পাল একজন সফল উদ্যোক্তা।

বিভাস কৃষ্ণ চৌধুরী

টাঙ্গাইলের মেয়ে পল্লবী পাল। মাত্র দুই বছরেই নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প এখন টাঙ্গাইলের অনেক নারী উদ্যোক্তার জন্য অনুপ্রেরণা। 

২০১৮ সাল থেকে স্বপ্ন দেখা শুরু পল্লবীর। তখন পড়াশোনার পাশাপাশি চালাতেন অনলাইন ব্যবসা। স্বপ্ন দেখতেন বড় কিছুর। দুর্গম পথ এবং ব্যার্থতার গ্লানি ঠেলে সেই লক্ষ্যে পৌঁছেছেনও তিনি। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে পরিশ্রমের ফলে এখন তিনি টাঙ্গাইলের অন্যতম সফল নারী উদ্যোক্তা।

টাঙ্গাইলের সন্তোষ পাল পাড়ার মেয়ে পল্লবী কাজ করেন দেশীয় পণ্য নিয়ে। তার মধ্যে রয়েছে হাতে তৈরি বিভিন্ন অর্গানিক খাবার যেমন, গাওয়া ঘি, মিক্সড ড্রাই ফ্রুটস,আচার, ঘিয়ে ভাজা সেমাই, মটর ও মাশের ডালের বড়ি, হাতে তৈরি ফিউশন গহনা, হ্যান্ড প্যান্টের শাড়ি ব্লাউজ। ‘চিহ্ন’ নামে পল্লবী তার এই প্রতিষ্ঠান চালান।

পল্লবীর ইচ্ছেই ছিল নিজের পরিচয়ে বড় হওয়া। ভাবছিলেন কি করবেন। তিনি বন্ধুদের বিশেষ দিনগুলোতে তাদের বিভিন্ন ধরনের কাগজের তৈরি জিনিস উপহার দিতেন। সেগুলো বন্ধুরা খুব পছন্দ করতো। এরপর থেকেই তিনি এগুলো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য বানানো শুরু করেন।

পল্লবী নিজকে সফল মনে করেন তখনই যখন ক্রেতা তার পণ্যকে পছন্দ করে। পল্লবী বলেন, ‘একজন উদ্যোক্তা তখনই সফল যখন তার কাস্টমার ভালো ফিডব্যাক দেয়। এইদিক থেকে আমি সফল কারণ আমার প্রধান উদ্দেশ্যই থাকে কাস্টমারের সন্তুষ্টি। আর ভগবানের কৃপায় আমার সব কাস্টমারই আমার সার্ভিস এবং পণ্যে সন্তুষ্ট। এটাই আমার সফলতা বলে আমি মনে করি।’

নিজের ভবিষ্যত পরিলকল্পনা সম্পর্কে পল্লবী জানান, ‘আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আমি আমার দেশের প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া পণ্যকে নিজের দেশের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের কাছে তুলে ধরবো। ইতিমধ্যেই সেই কাজটা আমি শুরু করে দিয়েছি। আর সেই সাথে বিভিন্ন ফিউশন কাজ করার।’

২০১৯ সালেব বাংলাদেশ আর্মি ইউনির্ভাসিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি থেকে বিএসসি শেষ করা পল্লবীকে মোকাবেলা করতে হয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ। পল্লবী বলেন, ‘উদ্যোক্তাদের কাছে প্রত্যেক দিনই এক একটা চ্যালেঞ্জ। সেই জন্য আমি সব সময় চেষ্টা করি ঠান্ডা মাথায় সব সমস্যার মোকাবেলা করার। আর এই চ্যালেঞ্জগুলো আরও ভালো ভাবে আমি মোকাবেলা করতে পারি আমার পরিবারের সহায়তায়।’

করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক বাজার সচল রাখার ক্ষেত্রে ই-কমার্সকে গুরত্বের সাথে দেখছেন এই উদ্যোক্তা।

তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে অনলাইনে কেনাকাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অনলাইন কেনাকাটায় যতটা সম্ভব সর্তকতা অবলম্বন কারা ভালো। কারণ, কে আসল উদ্যোক্তা আর কে নকল উদ্যোক্তা সেটা আপনাদেরই বেছে নিতে হবে। নকল উদ্যোক্তাদের কাছে থেকে পণ্য অর্ডার করে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ার আগে যাচাই বাছাই করে অনলাইন থেকে কেনাকাটা করুন। নিজে সর্তক হোন, আর অন্যদেরও সতর্ক করুন!’

 

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0834 seconds.