• বিদেশ ডেস্ক
  • ২৯ এপ্রিল ২০২১ ১২:২১:০৩
  • ২৯ এপ্রিল ২০২১ ১২:২১:০৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

দিল্লির শ্মশানে হিসাবের দ্বিগুন মরদেহ

ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের দাহ করার জায়গা হচ্ছে না শ্মশানগুলোতে।

ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই রেকর্ডসংখ্যক মানুষ মারা যাচ্ছে। তাদের সৎকার করার জায়গা হচ্ছে না শ্মশানগুলোতে। শ্মশানে সৎকার হওয়া লাশ আর সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যায় দেখা যাচ্ছে দ্বিগুন ব্যবধান।

গেল সপ্তাহে দিল্লির শ্মশানগুলোতে প্রতি দিন ৬০০-র বেশি মরদেহ সৎকার করা হয়েছে বলে উত্তর দিল্লি মিউনিসিপাল করপোরেশনের (এনডিএমসি) মেয়রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন। যা সরকারি হিসাবে থাকা ‘করোনায় মৃত্যু’র সংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ। দিল্লির স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, টানা গত ছয় দিন সেখানে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৩০০-র বেশি।

এনডিএমসির মেয়র জয় প্রকাশকে উদ্ধৃত করে সিএনএন লিখেছে, ‘সরকারি তথ্যে মৃত্যুর সংবাদ প্রতিদিন প্রায় ৩০০ হলেও নিশ্চিতভাবেই শ্মশানগুলোতে প্রতি দিন ৬০০-র বেশি মরদেহ সৎকার করা হচ্ছে।’

মঙ্গলবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি’র এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লির পৌরসভা কেবল হাসপাতালে করোনায় মারা যাওয়া রোগীদের ‘করোনায় মৃত’ হিসেবে গণনা করছে। কিন্তু, শ্মশানঘাটে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, অনেক করোনা রোগী প্রতি দিন বাড়িতে কিংবা হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে ভর্তি হতে না পেরে মারা যাচ্ছেন। বাড়িতে যারা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দিল্লির পৌরসভা তাদেরকে ‘করোনায় মৃত’ হিসেবে গণনা করছে না।

দিল্লির তিনটি পৌর করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার সেখানে মোট ৬৩১টি মরদেহ দাহ ও ২২টি মরদেহ কবর দেওয়া হয়েছে। তবে, গত মঙ্গলবার দিল্লির স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যে বলা হয়েছে, সেখানে এক দিনে করোনায় ৩৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সিএনএন জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে পাঠানো এক চিঠিতে শ্মশানগুলোতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাঠের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বন বিভাগকে নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন উত্তর দিল্লির মেয়র জয় প্রকাশ।

 

 

 

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0715 seconds.