• বাংলা ডেস্ক
  • ০৪ মে ২০২১ ১৫:৫৩:২০
  • ০৪ মে ২০২১ ১৫:৫৩:২০
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

একনেকে ১২ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

একনেক সভা।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়কে অতি আধুনিকীকরণসহ মোট এটিসহ ১০ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৯০১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৮ হাজার ৯৯১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ থেকে ২ হাজার ৯৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে ৮০৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

মঙ্গলবার, ৪ মে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন থেকে বৈঠকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৩৬৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। তবে আজ প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৬১ কোটি ১৮ লাখ টাকা। বর্তমানে এই মেডিকেলটি স্পেশাল আছে। কিন্তু প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এটি সুপার স্পেশালাইজড হবে। মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রকল্পটির সংশোধী প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও একেনেকে অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলোর মাঝে আছে, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থাপন প্রকল্প; এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৫ কোটি ১২ লাখ টাকা। সাইনবোর্ড-মোড়েলগঞ্জ-রায়েন্দা-শরণখোলা-বগী সড়কের ১৭তম কিলোমিটারে পানগুচি নদীর উপর নদীর উপর পানগুচি সেতু নির্মাণ প্রকল্প; ব্যয় ধরা হয়েছে ৯১২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। উপজেলা পর্যায়ে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্প; ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৬৪৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। গণগ্রন্থাগার অধিদফতরের বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্প; ব্যয় হবে ৫২৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা। রাঙ্গামাটি জেলার কারিগরি পাড়া হতে বিলাইছড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন ও ব্রিজ কালভার্ট নিমাণ প্রকল্প; ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও চাঁদপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প; ব্যয় হবে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প; ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৫৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। তিস্তা সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকার পুনর্বাসন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প; ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪৫২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা এবং বাপাবিবো বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধন প্রকল্প; এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৭৬ কোটি ২২ লাখ টাকা।

 

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

একনেক উন্নয়ন প্রকল্প

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0644 seconds.