• বাংলা ডেস্ক
  • ১৮ মে ২০২১ ১২:১৫:৫৬
  • ১৮ মে ২০২১ ১৮:৪৬:১১
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম কারাগারে, জামিন না মঞ্জুর

আদালতে সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম।

দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তার জামিন শুনানির জন্য আগামী ২০ মে দিন ধার্য করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালত এ আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সরকারি অফিস থেকে তথ্য চুরির অভিযোগে শাহাবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় আজ মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) সাংবাদিক রোজিনাকে আদালতে তোলা হয়। সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করে শাহবাগ থানা পুলিশ। এদিকে রোজিনাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান সর্দার। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে রিমান্ড না মঞ্জুর করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে সাংবাদিক রোজিনার বিরুদ্ধে ঢাকার শাহবাগ থানায় একটি মামলা করা হয়। যেখানে তার বিরুদ্ধে  ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় চুরি এবং ১৯২৩ সালের ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের’ ৩ ও ৫ ধারায় গুপ্তচরবৃত্তি ও রাষ্ট্রীয় গোপন নথি নিজের দখলে রাখার অভিযোগ আনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

তবে রোজিনা ইসলাম ওই অফিস থেকে কোনো নথি সরানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আর প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ বলেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন করায় তার এই সহকর্মী ‘আক্রোশের শিকার’ হয়েছেন বলে তাদের সন্দেহ। 

সোমবার দুপুরের পর স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের একান্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলাম ভূঞার কক্ষে রোজিনাকে আটক করার পর প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা সেখানে তাকে আটকে রাখা হয়।

পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব শিব্বির আহমেদ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তার বিরুদ্ধে।

রোজিনা ইসলামকে আটকে রাখার খবর পেয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওই ভবনে যান। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে রোজিনাকে আটকে রাখার কারণ সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা কিছুই জানাননি।

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0855 seconds.