• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৪ জুন ২০২১ ১৭:৪৭:২৬
  • ০৪ জুন ২০২১ ১৭:৪৭:২৬
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

গুরুবাস পর্যটনের শুভেচ্ছা দূত হলেন শাহনূর

গুরুবাস পর্যটনের শুভেচ্ছা দূত হলেন শাহনূর।

গুরুবাস পর্যটনের শুভেচ্ছা দূত হলেন অভিনেত্রী শাহনূর। শুক্রবার (৪ জুন) দুপুরে ঢাকার পল্টনস্থ বাংলাদেশ ট্যুরিজম ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে এই চিত্রাভিনেত্রীকে গুরুবাস পর্যটনের মনোনয়নপত্র তুলে দেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোখলেছুর রহমান।

ট্যুরিজম ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, বাংলাদেশ প্রথম পর্যটন গ্রাম চারিপাড়ায় ‘গুরুবাস পর্যটন’ শীর্ষক পর্যটনের একটি নতুন দর্শনধারার সূচনা করা হচ্ছে, যার কারিগরি সহায়তা করছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম ফাউন্ডেশন। শুভেচ্ছা দূত হিসেবে শাহনূর তাঁর ভ্রমণস্থলে, কর্মস্থলে বা অন্য কোন স্থানে উপস্থিতির সময় গুরুবাস পর্যটনের উদ্দেশ্য ও দর্শনের প্রতি সকলকে আকৃষ্ট করবেন।

গুরুবাসের মূল বক্তব্য হলো জীবন, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির কাছ থেকে গৃহীত শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা। তাই প্রতিটি পর্যটক শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী। পর্যটন নিভৃত পল্লীতে জীবনযুদ্ধে উত্তীর্ণ মানুষকে গুরু হিসেবে নতুন মোড়কে উপস্থাপন করবে। যেমন শস্যগুরু, মৎস্যগুরু, খাদ্যগুরু, ধর্মগুরু, শিল্পগুরু, গল্পগুরু, পর্যটনগুরু ইত্যাদি। গুরুবাস পর্যটন একটি শিক্ষা দর্শন যা স্থানীয় মানুষের পরীক্ষিত জীবনধারা থেকে উৎসারিত। গুরুবাসের মৌলিক চেতনা হলো দায়িত্বশীল পর্যটনের মাধ্যমে মানুষ ও সমাজের মধ্যে বিশুদ্ধতা, স্থায়িত্ব ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।

অভিনেত্রী সৈয়দা কামরুন নাহার শাহনূর বলেন, ‌‌'পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দেখেছি, তারা নিজেদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য টুরিজমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশের গ্রাম বাংলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। এই সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে দেশে পর্যটন শিল্প তেমন বিকাশ লাভ করেনি। এখন সময় এসেছে পর্যটনের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার।'

বাংলাদেশ ট্যুরিজম ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোখলেছুর রহমান বলেন, ‌‌'গুরুবাস হচ্ছে গুরুর সঙ্গে বাস। গুরুর সঙ্গে বাস করবে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গুরু হিসেবে আমরা গ্রাম থেকে কিছু মানুষকে বাছাই করবো। আগে গুরুগৃহে জীবনমুখী শিক্ষা দেওয়া হতো। এখন গ্রামে যেসব মানুষের জীবনমুখী জ্ঞান আছে। শিক্ষার্থীরা তাদের থেকে জীবনবোধ, জীবন প্রকৃতি, জীবনধারাটা শিখবে। আমরা তখন এই স্কুলিংকে বলবো গুরুবাস। এটা জীবনমুখী পর্যটনের একটা টেকসই স্কুলিং হবে। গুরুবাস পর্যটন দেশের পর্যটনের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সৃজন ও সংরক্ষণে অবদান রাখবে।'

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম ফাউন্ডেশনের পরিচালক নাজিয়া ফারহানা, সহ সভাপতি শাহাবউদ্দিন সোহাগ, কিশোর রায়হান, বাংলাদেশ ট্যুরিজম এন্ড হোটেলস ওয়ার্কার্স–এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের আহ্বায়ক রাশেদুর রহমান প্রমুখ।

 

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1106 seconds.