• ০২ জুলাই ২০২১ ২০:০৪:১৫
  • ০২ জুলাই ২০২১ ২০:০৪:১৫
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়া ‘ইম্পসিবল’, কেউই পারছে না: কুবি উপাচার্য

কুবি প্রতিনিধি:

অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়া 'ইম্পসিবল' বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী। সশরীরে পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ বন্ধ থাকায় অনলাইনে পরীক্ষার ব্যাপারে প্রশাসনের ভাবনা জানতে চাইলে তিনি এ কথা বলেন। উপাচার্য বলেন, ‘অনলাইন পরীক্ষা তো ইম্পসিবল! কেউ পারতেছে না। অনলাইনে প্রথম কথা হচ্ছে নেট থাকে না, ক্লাসই করতে পারে না। সবাই তো এটেন্ডই করতে পারবে না।'

সেশনজটের ধাক্কা সামলাতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান ও অনলাইন পরীক্ষার জন্য কমিটি গঠন করা হলেও প্রশাসন থেকে কমিটিগুলোর আহ্বায়কদ্বয় এ সংক্রান্ত কোনো চিঠি পাননি বলে জানিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষাজীবন নিয়ে শঙ্কায় বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অর্ক গোস্বামী বলেন, করোনা মহামারিতে ৮ম সেমিস্টার পরীক্ষায় বসতে পারলেও ১টা পরীক্ষার জন্য আমাদের অনার্সটা আটকে গেলো। এই মুহূর্তে একটাই চাওয়া, যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব এই পরীক্ষাটা শেষ করা। কেননা একটা নির্দিষ্ট সময় পর আমাদের সবাইকেই কিছু না কিছু দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হয়।

অনলাইনে পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, 'অনলাইনে পরীক্ষার ব্যাপারে আমাদের কাছে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা আসেনি। ইতোমধ্যে অনলাইন পরীক্ষার ব্যাপারে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, ওই কমিটি থেকে যে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা আসবে সেই আলোকেই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।'

অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ের জন্য গঠিত কমিটির আহ্বায়ক ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন মোঃ তোফায়েল আহমেদ বলেন, 'আসলে কমিটিটা যে হয়েছে, সেটা একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটে যতদূর জানি পাশ হয়েছে। চিঠি এবং টার্মস এন্ড কন্ডিশনগুলো না জানা পর্যন্ত কিছু বলতে পারছি না। চিঠি পেলে আমরা কাজ শুরু করতে পারবো।'

সার্বিক বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, 'আমরা অপেক্ষা করছি, যদি অবস্থা খারাপ হয়, আমাদের তো শিডিউল আছেই, যারা ফাইনাল ইয়ার, যেমন মাস্টার্স ২-১ টা পরীক্ষা বাকি আছে বা অনার্স তাদেরকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা রুটিনটা রিশিডিউল করে শুরু করে দিবো। প্রত্যেকটা দিনই তো এখন আনসার্টেইন, অবস্থা একটু ভালো হলে আবার শিডিউল দিয়ে দিবো।'

অপরদিকে কমিটির আহ্বায়কের কাছে চিঠিপত্র না পৌঁছানোর বিষয়ে করোনা ও লকডাউনের কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, 'পেয়ে যাবে, কাজ শুরু করে দেবে, আমি বলবো।' 

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1139 seconds.