• ০৩ জুলাই ২০২১ ১৭:০৫:০৩
  • ০৩ জুলাই ২০২১ ১৭:০৫:০৩
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

কুবি শিক্ষকের পদোন্নতি স্থগিত, দায় এড়িয়ে যাচ্ছে রেজিস্ট্রার দফতর

ছবি : সংগৃহীত

রিদওয়ানুল ইসলাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক কাজী আনিছুল ইসলামের পদোন্নতি স্থগিতের ঘটনায় দায় এড়িয়ে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার দফতর। তারা এ ঘটনায় দায় চাপিয়ে দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্ল্যানিং কমিটির উপর৷ 

জানা যায়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের  ৭৯তম সিন্ডিকেটে কুবি রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরে অনুমোদিত হয়ে কাজী আনিছকে সহকারী অধ্যাপক পদে  পদোন্নতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি দেওয়া হয় যোগদানপত্রও। এরপর  তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সে অনুযায়ী বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পেয়ে এসেছেন৷ 

 এই  পদোন্নতির আবেদনে তার পূর্ববর্তী কর্মস্থল স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে দেওয়া অভিজ্ঞতার সনদে ‘টু রেজিস্ট্রার' এর স্থলে ‘টু হুম ইট মে কনসার্ন' লেখা হয়৷ কিন্তু পরবর্তী ৮০ তম সিণ্ডিকেটে ‘টু রেজিস্ট্রার' এর স্থলে ‘টু হুম ইট মে কনসার্ন' লেখায় তার পদোন্নতি স্থগিত করা হয়। 

এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে  সংবাদ প্রকাশের জেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সহ নানা মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। একইসাথে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক),  বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় নেটওয়ার্ক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতার শিক্ষকদের সংগঠন মিডিয়া এডুকেটর নেটওয়ার্ক সহ বিভিন্ন সংগঠন থেকে এ ঘটনার নিন্দা জানানো হয়। 

তবে এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহেরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি  বলেন, 'প্রথমত বিভাগীয় প্ল্যানিং কমিটি একটা ভুল করছে। রেজিস্ট্রার দফতরের সংস্থাপন শাখার আরও  যাচাই করার দরকার ছিলো। যেহেতু প্ল্যানিং কমিটি সুপারিশ করে দিয়েছে, সেক্ষেত্রে সরাসরি এটা বাছাই বোর্ডে চলে গেছে। 

এই বিষয়ে জানতে  রেজিস্ট্রার দপ্তরের সংস্থাপন শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার মো: মনিরুজ্জামান বলেন, রেজিস্ট্রার দফতরে এগুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য আলাদা কোনো কমিটি নেই।  আমাদের কাছে যখন বিভাগীয় প্ল্যানিং কমিটি থেকে সুপারিশ আসে, তখন সেটা আর দেখার প্রয়োজন হয় না। আর যদি সুপারিশ করে না দেয়, কোনো সমস্যা থাকে তখন আমরা সেটা দেখি।

তবে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্ল্যানিং কমিটির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখেছি কাজী আনিছ স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে চাকুরির যে অভিজ্ঞতা দাখিল করছেন, সেটি সঠিক। ফলে আমরা তার পদোন্নতির জন্য সুপারিশ করে রেজিস্ট্রার দফতরে পাঠিয়েছি। 

এরপরের দায় দায়িত্ব রেজিস্ট্রার দপ্তরের। সে প্রসঙ্গে আমরা মন্তব্য করতে পারবো না।

তবে যতদূর জানতে পেরেছি,  রেজিস্ট্রার দপ্তরও কাজী আনিছের পূর্ববর্তী চাকুরিস্থলে খোঁজ নিয়েছে এবং তার অভিজ্ঞতার বিষয়টি সঠিক বলে জানতে পেরেছে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি  এটা নিয়ে কোনো বক্তব্য দিতে চাননি।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

কুবি শিক্ষক

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.1053 seconds.