• ১৪ জুলাই ২০২১ ১৪:৪৮:১৭
  • ১৪ জুলাই ২০২১ ১৪:৪৮:১৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

বাতাসে লাশের গন্ধ এবং ব্যর্থ মানুষের আহাজারি

ছবি : সংগৃহীত

লেখক: ফয়সাল আহমেদ

আপনার ঘ্রানেন্দ্রিয় যদি এখনো ক্রিয়াশীল থাকে, একটু চেষ্টা করে দেখুন বাতাসে পোড়া লাশের গন্ধ পান কিনা! আর তা না হলে আপনি বলতেই পারেন ‘পুঁড়ে ছাই হও, ভবনচাপায় মরো, সড়কে মরো অথবা ডুবে মরো...‘আমরাতো ভালো আছি’!‘আমরা’ মানে মূলত মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠী!মধ্যবিত্ত মানসিকতা! মধ্যবিত্তরা এখন এদেশের নষ্ট-ভ্রষ্ট ও সুবিধাবাদী একটা গোষ্ঠী। ধনীক শ্রেণীতোবাংলাদেশকে তার নিজের দেশই মনে করে না। এরাইতো মুনাফার জন্য নদী-নালা-বন-জঙ্গল সহ পরিবেশ গিলে খাচ্ছে, কখনোপুঁড়িয়ে, কখনোভবন চাপা দিয়ে, গাড়িচাপা দিয়ে অথবা ডুবিয়ে দিয়ে হলেও মানুষ খাচ্ছে। টাকাতো খাওয়া যায় না!

এরাই সবচাইতে বড়ো পরিবেশ ও মানুষখোকো জানয়োর!ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানী, ব্যবসা করার নামে আমাদের সবকিছু খেতে এসে ২০০ বছরের উপনিবেশ গড়ে তুলেছিলো। একই উদ্দেশ্যেনরখাদকে পরিণত হয়েছিলো পাকিস্তানীরা। সবদেশে, সব যুগে পুঁজিপতি ও তার সৃষ্ট রাষ্ট্র ব্যবস্থার চরিত্র এক। তাই ধনীক শ্রেণীর এইসব হত্যাকান্ডকে ‘দূর্ঘটনা’ বলে চালিয়ে দেয়ার আইনগত ছলচাতুরি তৈরীই থাকে। আছে রাষ্ট্রের সম্পূর্ণ পোষ্ঠপোষকতা। বর্তমান সংসদে রয়েছে এই ব্যবসায়ীদের ৬১ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব! তাই মানুষ হত্যার দায়ে ‘দায়ী’ ব্যক্তি সাময়িকভাবে গ্রেফতার হলেও অল্প সময়েই বের হয়ে এসেদিব্যি বুক চিতিয়ে দাপিয়ে বেড়াবে দেশ। আবারোভয়ের কাঁপন তুলবে মানুষের মনে! উন্নয়ন নিশ্চয় হচ্ছে। ধনীক শ্রেণীর উন্নয়ন। এরাই এই বিপুল অবৈধ মুনাফার টাকা পাচার করে দ্বিতীয় বাসস্থান ও নাগরিকত্ব কিনে রেখেছে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপের কোনো দেশে! এইতো আমাদের বাংলাদেশ!নাকি এখনো সংশয় আছে, দেশটা ঠিক এমন নয়?

২০১৩ সালো ২৪ এপ্রিল। সাভারের রানা প্লাজা।ফাটল ধরা ভবনে, বুয়েটের একটি টীমের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শ্রমিকদের কারখানায় আসতে বাধ্য করে গার্মেন্টস মালিকপক্ষ এবং এর ফলে তারা মানুষগুলোকে করুণ মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। সরকারী হিসাবে রানাপ্লাজায়১ হাজার ১৩৬ জন মানুষকে (শ্রমিকদের দাবী মৃতের সংখ্যা আরো অনেক বেশি) হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাযজ্ঞের পর, সাভারের অধরচন্দ্র বিদ্যালয়ের বিশাল মাঠে রাখা শত শত লাশের সারি দেখেআমি আমার একবন্ধুকে সংশয় নিয়ে বলেছিলাম, দেখো, এতো বড়ো ঘটনার বিচার ও প্রতিকারকি হবে? মানুষ ও মানুষের জন্য কাজ করছে দাবীদার সংগঠনগুলোগর্জে উঠবে এবার? এবার কি শ্রমিক শ্রেণীর জন্য যে রাজনীতি, তার গতানুগতিক ধারা থেকে বের হয়ে আসবে সংগঠনগুলো? না, তার কিছুই ঘটেনি। বরং এরপরও বহু নরহত্যা সংঘটিত হওয়ার মধ্য দিয়ে আমরা পেছন দিকে হাঁটছি।

রানাপ্লাজা ধ্বসের ঠিক ৫ মাস পূর্বে ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর তাজরীন গার্মেন্টস-এ পুড়িয়ে মারা হয়েছিলো ১১২ জন মানুষ। তাজরীন গার্মেন্টসের মালিক জামিন পেয়ে যায় গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন বিজিএমই’র কুট কৌশলের মাধ্যমে। আজওতাজরিন হত্যাকান্ডের বিচার হয়নি। রানা প্লাজা হত্যাকান্ডের একমাত্র ভবন মালিক রানা ছাড়া সকল আসামি দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই মামলাও ঝুলে আছে। তাজরীনের ঘটনার পূর্বে নিমতলীতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে (৩ জুন, ২০১০) ১১৭ জন নিহত হয়েছিলো। তারপর গত ১০-১১ বছরে ছোটো বড়ো বহু অগ্নিকান্ড ও মানবসৃষ্ট দূর্ঘটনা ঘটতেই থাকে এদেশে। টঙ্গীতে ট্যাম্পাকো লিমিটেড নামের একটি প্যাকেজিং কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণে (১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬) ২৪ জন শ্রমিক নিহত হয়। চকবাজারের অগ্নিকান্ডে (২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯) ৮১ জননিহত হয় এবং বনানীর এফ.আর. টাওয়ারের (২৮ মার্চ, ২০১৯) ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২৬ জন মানুষের করুণ মৃত্যু ঘটে। এসব ক্ষেত্রেও দায়ী ব্যক্তিরা হত্যা মামলার আসামী হওয়ার কথা। অথচ এর কোনোটারই বিচার হয়নি। 

বছর বছর স্বজনেরা ঘনটাস্থলে ভিড় করে চোখের জল ফেলেন আর আল্লাহর কাছে বিচার চেয়ে ফিরেন। এখানে বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদে। এই যখন বাস্তবতা, তখন সর্বশেষ সজীব গ্রুপ নামক একটি কোম্পানীর‘সেজান জুস ফ্যাক্টরী’র ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে (৮ জুলাই, ২০২১) এই পর্যন্ত ৫২ জন জীবন্ত মানব সন্তানকে পুড়িয়ে ¯্রফে‘কয়লা’ করে দেয়া হয়েছে। এখানেও ছাদের তালা বন্ধ ছিলো। ছিলোনা যথেষ্ট অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা। আর চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলো জুস বানানোর বিষাক্ত উপাদান, নানা রকম রাসায়নিকপদার্থ। এতো ঘটনার পরও কোথাও কোনো পরিবর্তন আসেনি, জানি, এই ঘটনার পরও আসবে না।

একবার ভেবে দেখুন, আরামের ঘুম ভেঙ্গে জাগিয়ে বলা হলো, আপনার কর্মজীবী ভাই কিংবা বোন অথবা স্ত্রী বাস্বামী’র কর্মস্থলে আগুন লেগেছে। অজানা আশঙ্কায় ছুটলেন! দীর্ঘ সময় পরেও কোনো সংবাদ না পেয়ে নিশ্চিত হলেন, আপনার প্রিয় মানুষটি আর বেঁচে নেই। অন্তত লাশটিতো চাই? শুনলেন লাশইতো নেই। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। নারী না পুরুষ সনাক্তই করা যাচ্ছে না! এখন হয়তো আপনি প্রিয় মানুষের একটা হাঁড়ের সন্ধান করতে পারেন। না হয়, খুলি? তারও কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ ভয়াবহ রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রিত আগুনে সবকিছু যে একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে! এমনই বিভৎস মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তাজরীন, নিমতলী, চকবাজার আর সেজান জুস ফ্যাক্টরীর মানুষগুলো পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নিয়েছিলো। দয়া করে একটিবার ভাবুন, পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া মানুষগুলো আপনারই কোনো একান্ত আপনজন!নিশ্চয় আপনি তখন বাতাসে লাশের গন্ধ পাবেন!

কিংবা ভাবুন, এক সকালে উঠে শুনলেন, আপনার স্বজন যে ভবনে কাজ করতো, সেটি পুরোটাই ভেঙ্গে পড়েছে। দিনের পর দিন যায় আপনি আপনার পিতা, কিংবা মাতা অথবা ভাই-বোন কেউ একজন হতে পারে আর খুঁজে পেলেন না। অনেকদিন পর পঁচা-গলা লাশ অথবা ইট-সুরকি, সিমেন্ট-বালু চাপায় মরে যাওয়া আপনার প্রিয়জনের ‘শুটকি’ বেরিয়ে এলো, তখন আপনার মানসিক অবস্থাটা কেমন হবে? একটিবার ভাবুন, কী নিদারুণ কষ্ট হয়েছিলো রানাপ্লাজার নিহত শ্রমিকদের?এরপর তা সনাক্ত করতে আসা তার স্বজনদের? তারপরও কি বাতাসে খুন হওয়া মানুষের লাশের গন্ধ পান না?

সাহস করে আরেকবার ভাবুন, আপনার পুরো পরিবার একটি যাত্রীবাহী লঞ্চে ছিলো, লঞ্চটি ত্রুটিজনিত নকশাঁ ও যথাযথভাবে তৈরী না হওয়ার কারণে ডুবে গেলো এবং আমাদের ‘নপুংসক’ পত্রিকাগুলোর ভাষায় সকল যাত্রীর‘সলিল সমাধি’র খবর পেলেন! অথবা সড়ক দূঘটনায় আপনার পরিবারের ঘনিষ্ঠ কেউ ঘটনাস্থলেই মারা যাওয়ার খবর পেলেন! আপনার নিশ্চয় তখন প্রতিক্রিয়া এখন যেমন হচ্ছে, তেমন হবে না। নিশ্চয় অনেক ভয়াবহ যন্ত্রনা, তীব্র সে কষ্টের মধ্য দিয়ে আপনাকে যেতে হবে তখন আপনাকে? ‘সহানুভূতিই’ এখন আর যথেষ্ট নয়, এখন যদি এই বিভৎস মৃত্যুর জন্য একজন আরেকজনের জন্য ‘সমানুভূতি’ অনুভব না করি, আমাদের দেশের অবস্থার কোনদিন পরিবর্তন হবে না। 

জানি, গন্ডারের চামড়া গায়ে দেয়া মধ্যবিত্তের অর্থ-বিত্তের লোভে, ইঁদুর দৌঁড়ে এমনই ব্যস্ত যে, এসব ভয়াবহ নারকীয় হত্যাকান্ডের ঘটনা শুনে কিছুক্ষণ‘আহা’, ‘আহা’ করে, নিজে বেঁচে আছি বলে, এই সুখে সে পূর্ণ উদ্যোমে আবার তার সকল ক্রিয়াকর্মে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। দিব্যি সে উপভোগ করতে থাকবে তার দৈনন্দিন জৈবিকতা ও ভোগবিলাসের সকল অনুসঙ্গ।

মধ্যবিত্তের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলোও মিছিল, সমাবেশ, মানব-বন্ধন, বক্তৃতা, বিবৃতি এবং নানারকম দাবীতে কিছুদিন মাঠ গরম করবে। নিজেরাও নিরুত্তাপ সময়ে কিছুটা উত্তাপ গায়ে মাখবে। তারপর প্রাকৃতিক নিয়মেই তারাশীতল হয়ে দীর্ঘ হাইবারনেশনে চলে যাবে। এভাবেই চলে আসছে গত ৫০ বছর ধরে। গত ৩০ বছরের অবক্ষয়ে আজ যা চূড়ান্তরূপে প্রকাশ পাচ্ছে। ফলে মধ্যবিত্তনির্ভর সংগঠনগুলো, বিশেষ করে বাম সংগঠনগুলোর কাছে মানুষের আর প্রত্যাশার তেমন কিছু নেই। বামদের একাংশ আজ সরকারের পুরো দালাল। আরেক দল আংশিক দালাল। আরেক অংশ যাত্রাপালার ‘বিবেকে’র মতো মিহি সুরে বিবেকের চরিত্রে অভিনয় করে চলেছে। কিন্তু তারা জানেনা, এখন মানুষ আর ‘যাত্রাপাল’ দেখতে অভ্যস্থ নয়। 

অতিধনী ব্যবসায়ীদের এজেন্ট আ.লীগ, বিএনপি, জাপা, জামাত মূলত এক একটি সিন্ডিকেট। এরা সবগুলো মিলে আবার গড়ে উঠেছে অঘোষিত ‘বৃহৎ সিন্ডিকেট’।এইসিন্ডিকেটকে ভাঙ্গা এখন শ্রমিক-কৃষকদের শক্ত হাত ছাড়া সম্ভব নয়। মধ্যবিত্তের নরম ও মসৃন হাত কোনোকালেই উপযুক্ত ছিলোনা। আজও আরো নাজুক। 
তাই সর্বশক্তিমানের কাছে বিচার চাওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের ‘সর্বশক্তিমান’ দানবদের বিচারের দায়িত্ব শ্রমজীবী ও কৃষকদের নিজ হাতে তুলে নিতে হবে। নতুন ধরণের সংগঠনই তা করতে পারে। এই উপলব্ধি শ্রমিক ও কৃষকদেরকেই করতে হবে। শ্রমিক ও কৃষকদের সন্তান, এই প্রজন্মের সচেতন তরুণ অংশই হয়তো সেই কাজটা করবে। অবশ্যই তা এখনো ধোয়াঁশাপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী একটা যাত্রা। 

এই রাষ্ট্র এই এখানকার মানুষের সকল সৃজন ক্ষমতাকে ব্যর্থ করে দিতে চায়। বানাতে চায় তার প্রোগ্রাম করা এক একটি রোবট। মধ্যবিত্ত ইতোমধ্যে ’রোবটে’ পরিণত হয়েছে। এই রোবটরা মুক্তিযুদ্ধের মতো ভয়াবহ গণহত্যার ঘটনাকে প্রায় ভুলে বসে আছে! এদের কাছে রানা প্লাজার মতো ঘটনাও কোনো প্রতিক্রিয়া তৈরী করে না! আরো কতোশত হত্যাযজ্ঞ, নীপিড়ন, দেশধ্বংস করার আয়োজন যখন এদের কাছে কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেনা, তখনএদের কাছে রূপগঞ্জের সেজান জুস ফ্যাক্টরীর বিভৎস ঘটনাও ভুলে যেতে বেশিদিন সময় লাগবে না। কারণ এসব ভুলে থাকলেইতো মিলে‘পরম শান্তি’!

আমরা ব্যর্থ মধ্যবিত্তরা কেবল আহাজারি করতে পারি। ঘরে বসে ফেসবুকে ‘বিপ্লব’ওকরতে পারি। ব্যক্তিমানুষও যে ছোটো ছোটো প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে পারে, এই বোধ আমরা ইতোমধ্যে হারিয়ে ফেলতে বসেছি। এই ছোটো ছোটো প্রতিবাদও যে একদিন বৃহৎ একটা পার্থক্য তৈরী করতে পারে আমাদের সেই আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরেছে। বৃহৎ পরিবর্তনের আশায় বসে না থেকে পূর্বে ছোটো ছোটো প্রতিবাদগুলো অব্যাহত থাকা জরুরী।  আর কিছু না হোক, তাজরীন, রানা প্লাজা, নিমতলী, টঙ্গীর বয়লার দূর্ঘটনা, চকবাজার, বনানী এবং সর্বশেষে সেজান জুস ফ্যাক্টীতে কাজ করতে এসে কর্মরত মানুষগুলোর বেঁচে থাকা স্বজনরা যদি থ্যাতলানো, ভাঙ্গাচোরা, পোড়া, ছাই হয়ে যাওয়া লাশের ছবির প্লে-কার্ড নিয়ে প্রতিটা হত্যাকান্ড ঘটার দিনে, সারা দেশে যে যেখানে থাকেন, একসাথে বসে অবস্থান নিতে পারেন। 

প্রতিবাদ করতে পারেন। বিচার চাইতে পারেন। যাত্রা যতই দীর্ঘ হোক একদিন না একদিন শ্রমিক-কৃষকের হাত ধরেই এসব ঘটনার প্রতিকার ঘটবে। কড়ায় গন্ডায় এই হত্যাকান্ডগুলোর মাশুল আদায় করতে পারবেন একমাত্র শ্রমজীবী মানুষই। কথাটিগতানুগতিক মনে হতে পারে, তবে এটাই সত্য, হাঁড়ভাঙ্গা খাঁটুনিতে নিয়ত যুদ্ধরত, অপুষ্টির শিকার, অনেক ক্ষেত্রে চরিত্র হারানো, কারো কারো ভাষায়‘লুম্পেন’ শ্রমিক এবং মাঠের কৃষকই আমাদের শেষ ভরসা। 

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0710 seconds.