• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১০ ডিসেম্বর ২০২১ ০০:০২:৫৪
  • ১০ ডিসেম্বর ২০২১ ০০:০২:৫৪
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে দুই বন্ধু মিলে ধর্ষণ

ছবি : সংগৃহীত

কক্সবাজার সদরের ঝিলংজায় মাদরাসাপড়ুয়া তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে দুই বন্ধু মিলে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মুনীর-উল-গীয়াস জানিয়েছনে, গত মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে দুইজনকে আসামি করে মামলাটি নথিভুক্ত হয়েছে।

আসামিরা হলেন, কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের মহুরী পাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে কেফায়েত উল্লাহ (২০) এবং একই ইউনিয়নের কোনার পাড়ার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মো. ইমরান (১৯)।

ভুক্তভোগী মেয়েটি কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের মহুরী পাড়ার বাসিন্দা। তার বাবা দীর্ঘদিন রোগাক্রান্ত হয়ে বাড়িতে শয্যায়ী এবং মা ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। মেয়েটি ঝিলংজা ইউনিয়নের লিংকরোডস্থ মুসলিম আদর্শ শিক্ষা নিকেতনের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

মঙ্গলবার রাতে মামলা দায়ের হলেও গত বুধবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন উঠনি নামক এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় ভুক্তভোগী মেয়েটি গত ১ ডিসেম্বর রাতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে ভর্তি হয়। চিকিৎসা শেষে পরদিন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছে।

মামলার এজাহারের বরাতে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুনীর-উল-গীয়াস বলেন, গত বুধবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মাদরাসাপড়ুয়া তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রী বাড়ি থেকে বের হয়ে পার্শ্ববর্তী ঝিলংজা ইউনিয়নের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন উঠনি নামক এলাকার জনৈক ফরিদের দোকানে নাস্তা কিনতে যায়। নাস্তা কিনে ফেরার পথে স্থানীয় দুই যুবক জোরপূর্বক তাকে তুলে নিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় এক পরিত্যক্ত ঝুঁপড়ি ঘরে নিয়ে মেয়েটিকে দুইজন মিলে ধর্ষণ করে। এ সময় মেয়েটির চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা মেয়েটিকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে স্বজনদের খবর দেয়, বলেন ওসি।

ভুক্তভোগী মেয়েটির মা বলেন, স্থানীয়রা আমার মেয়েকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করার পর ঘটনার দিন রাতেই কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। পরদিন চিকিৎসাশেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি নিয়ে আসি।

আমি ও আমার দুই মেয়ে প্রতিবন্ধী। স্বাভাবিক থাকা মেয়েটি মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ালেখা করে। আমার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে বাড়িতে শয্যাশয়ী। আমি ভিক্ষাবৃত্তি করে সংসারের হাল টানছি।

অভিযুক্ত যুবকরা মামলা না করে ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য প্রভাবশালীদের মাধ্যমে চাপ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মেয়েটির মা।

ওসি মুনীর-উল-গীয়াস বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনায় ভুক্তভোগী মেয়েটির মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত দুই যুবককে আসামি করে থানায় একটি এজাহার দেন। পরে ঘটনার ব্যাপারে প্রাথমিকভাবে খোঁজখবর নিয়ে রাতেই মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান ওসি।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ধর্ষণ

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0711 seconds.