• নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৬ এপ্রিল ২০২২ ২২:৩৫:২৭
  • ১৬ এপ্রিল ২০২২ ২২:৩৫:২৭
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে দেড় বছর ধর্ষণ

ছবি : সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেড় বছর ধরে আটকে রেখে এক কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে চন্দন ধর নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ শনিবার দুপুরে শহরের স্টেশন রোডের হিরন্ময় প্লাজার তিনতলার একটি বাসা থেকে ওই কিশোরীকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে। 

এ সময় শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ বাসার গৃহিণী সাধনা ধর (৬০) ও পূর্ণা ধর (৩০) নামে দুই নারীকে গ্রেফতার করেছে। তবে ধর্ষক চন্দন ধর পালিয়ে যায়। মেয়েটির বাসা শহরের শাহীবাগ এলাকায় বলে পুলিশ জানায়।

শনিবার শ্রীমঙ্গল থানায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হলে মেয়েটি সাংবাদিকদের কাছে তার ওপর দীর্ঘ দেড় বছর ধরে লোমহর্ষক নির্যাতনের বর্ণনা দেয়। মেয়েটি জানায়, গত দেড় বছর আগে শহরের স্টেশন রোড়ের হিরন্ময় প্লাজার তিনতলার বাসিন্দা ‘অরেঞ্জ ফ্যাশনের' মালিক চন্দন ধরের (৪৫) বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ নেয়। কাজে যোগ দেওয়ার কয়েক দিনের মাথায় চন্দন ধর তাকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গত দেড় বছর ধরে তাকে ধর্ষণ করে আসছিল। এসব জানার পরও বাসার লোকজন বাধা দেয়নি বলে বলে মেয়েটি জানায়। 

মেয়েটি অভিযোগ করে, শনিবার সকালে চন্দন ধর তাকে আবারো ধর্ষণের চেষ্টা করলে সে বাধা দেয়। এতে চন্দন শারীরিক নির্যাতন করে তার হাত-পা বেঁধে একটি ঘরে ফেলে রাখে। 

স্থানীয়রা জানান, শনিবার মেয়েটির চিৎকার শুনে তারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানার ওসি (তদন্ত) হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থল থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় মেয়েটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের চিহ্ন দেখা গেছে।

জানতে চাইলে ওসি (তদন্ত) হুমায়ুন কবির জানান, ধর্ষক চন্দনের বাসা থেকে ২ নারীকে আটক করা হয়েছে। চন্দন পলাতক রয়েছে, তাকে ধরতে পুলিশি অভিযান চলছে। এছাড়া মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মেয়েটি নিজেই বাদী হয়ে চন্দন ধরসহ ৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে। 

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ধর্ষণ

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.0770 seconds.