• ক্রীড়া ডেস্ক
  • ২৮ এপ্রিল ২০২২ ০৮:৫৯:১২
  • ২৮ এপ্রিল ২০২২ ০৮:৫৯:১২
অন্যকে জানাতে পারেন: Facebook Twitter Google+ LinkedIn Save to Facebook প্রিন্ট করুন
বিজ্ঞাপন

সহজ জয়ে ফাইনালে এক পা লিভারপুলের

ছবি : সংগৃহীত

চলতি চ্যাম্পিয়নস লিগের নক আউট পর্বের দুই রাউন্ডে দুই ফুটবল জায়ান্টকে বিদায় করে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল স্প্যানিশ ক্লাব ভিয়ারিয়াল। সেমিফাইনালে লিভারপুলকে বিপদে ফেলতে পারে এমনটা মনে করেছিল ফুটবল বোদ্ধারা।

তবে অ্যানফিল্ডে ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ২-০ গোলের সহজ জয় পেয়েছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। ঘরের মাঠে স্প্যানিশ এই ক্লাবকে এতটাই চাপে রেখেছিলো অলরেডরা যে, ম্যাচে গোলের কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি ভিয়ারিয়াল। অ্যানফিল্ডে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দুইটি গোল পায় লিভারপুল। যার মধ্যে একটি গোল আসে আত্মঘাতী এবং অপরটি আসে লিভারপুল ফরোয়ার্ড সাদিও মানের পা থেকে।

এবারের উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে শেষ ষোলোতে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জুভেন্টাসকে হারিয়ে প্রথম অঘটনের জন্ম দেয় ভিয়ারিয়াল। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখকে হারালে সেমিফাইনালে স্প্যানিশ ক্লাবটির ভক্তরা দারুণ কিছুর আশাই করছিলো। তবে অ্যানফিল্ডে অলরেডদের আধিপত্যে কোনো পাত্তাই পায়নি ভিয়ারিয়াল।

ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে লিভারপুল। প্রথমার্ধে দারুণ কিছু সুযোগ সৃষ্টিও করে মানে, লুইস দিয়াজ, থিয়াগো আলকান্তারারা। তবে জালের দেখা মিলছিল না দলটির। দ্বিতীয়ার্ধের পাঁচ মিনিটের মধ্যে প্রথমবারের মতো ভিয়ারিয়ালের জালে বল জড়ায় অলরেডদের ফাবিনিয়ো। তবে ভার্জিন ভ্যান ডাইক অফসাইডে থাকায় উচ্ছ্বাস ভেঙে যায় স্বাগতিক লিভারপুলের।

ম্যাচের ৫৩তম মিনিটে অবশ্য লিড নিতে সক্ষম হয় ক্লপের দল। জর্ডান হেন্ডারসনের শট ঠেকাতে গেলে ভিয়ারিয়ালের পেরভিস এস্তুপিনানের পায়ে লেগে উঠে গেলে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়ায়। ম্যাচে লিড নিয়েই যেন আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে লিভারপুল।

এর দুই মিনিট পর মানের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অলরেডরা। মোহামেদ সালাহর দারুণ পাসে আলতো টোকায় ভিয়ারিয়াল গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন সেনেগালের মানে। এই গোলের মধ্য দিয়ে আফ্রিকান নেশন্সের দলগুলোর মধ্যে নক আউট পর্বে সর্বোচ্চ ১৪ গোলের মালিক হলেন মানে। এছাড়াও সেনেগাল ফরোয়ার্ডের এই মৌসুমে গোল হলো ২০টি।

ম্যাচে এরপরও ৭৪ শতাংশ বল দখলে রেখে আক্রমণ চালিয়ে যেতে থাকে স্বাগতিকরা। ম্যাচে মোট ১৯টি আক্রমণ করে তারা। তবে আর গোলের দেখা পায়নি ক্লপের দল। অপরদিকে ম্যাচে মাত্র ২৬ শতাংশ বল দখলে রাখা ভিয়ারিয়াল মাত্র ১বার আক্রমণে উঠতে পারে। কিন্তু সাফল্য মেলেনি তাতে।

শেষপর্যন্ত ওই দুই গোলের ব্যবধান নিয়েই সহজ জয় পায় ক্লপের দল। তবে লিভারপুলের আসল পরীক্ষা হবে আগামী মঙ্গলবার। সেদিন আরেকটি অঘটনের জন্ম দিতে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে লিভারপুলের বিপক্ষে মাঠে নামবে উনাই এমেরির ভিয়ারিয়াল।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

লিভারপুল

বিজ্ঞাপন

আপনার মন্তব্য

বিজ্ঞাপন
Page rendered in: 0.5111 seconds.